এবছর কেমব্রিজে বাঙালিদের দুর্গাপুজো ২০ বছরে পদার্পণ করল

এবছর কেমব্রিজে বাঙালিদের দুর্গাপুজো ২০ বছরে পদার্পণ করল
27 Sep 2022, 02:43 PM

এবছর কেমব্রিজে বাঙালিদের দুর্গাপুজো ২০ বছরে পদার্পণ করল

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন: কেমব্রিজে বাঙালিদের দুর্গাপুজো এবার ২০ বছরে পা দিল। একই ভাবে বরণ করে আনা হয় ও বিসর্জনও দেওয়া হয় বাংলা থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে সমুদ্র পেরিয়ে মা দুর্গাকে। এ বারও কিন্তু সেটার অন্যথা হয়নি। দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়েছে আইসিএফ সংগঠন অর্থাত্‍ ICS (Indian Cultural Society)-র পক্ষ থেকে। 

এই যৌথ-পারিবারিক যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০২ সালে স্বল্প সংখ্যক সদস্য নিয়ে। ক্রমবর্ধমান যৌথ-পরিবার আজ এক মহীরুহ ধীরে ধীরে শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে। আজ ইংল্যান্ডের অন্যতম আকর্ষণীয় পূজামণ্ডপ হল ক্যাম নদীর তীরের এই দুর্গা পুজো। নিজস্ব কোনও পুজো-প্রাঙ্গন না থাকায় প্রতি বছরই যে কোনও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানকে সাময়িক পূজামণ্ডপ বানিয়ে তোলেন তাঁরা। 

তবে চারদিনের মাতৃ-বন্দনা আড়াই দিনেই সেরেছেন তাঁরা। পঞ্জিকা নির্ধারিত দিন অনুযায়ী তাঁদের পুজো সম্ভব নয় বলেই জানান তাঁরা। মহালয়ার পরেই সাপ্তাহিক ছুটিতে দেবীকে আহ্বান জানান বাসিন্দারা। কেমব্রিজের মৃন্ময়ী-মায়ের চিন্ময়ী-রূপে আরাধনার তিনটি আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য, মণ্ডপসজ্জা, মহাভোগ-প্রসাদ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অনুপ্রাণিত করবার জন্য মণ্ডপ-প্রাঙ্গনে অস্থায়ী-দোকান তৈরির আহ্বান জানানো হয়। 

পুজোর সময়ে তাঁরা একটি শারদীয়াও প্রকাশ করেন। নাম, 'কথন'। এই পত্রিকারও বেশ বয়স এবং নামডাক হয়েছে সে দেশে। করোনাকে উপেক্ষা করে ২০২০ সালেও পুজো করেছিলেন তাঁরা। তবে ডিজিটাল মাধ্যমের সাহায্যে। এ বার তাই দ্বিগুণ আনন্দে পুজো করেছেন প্রবাসী বাঙালিরা।

Mailing List