রোজকার ব্যবহৃত হলুদ গুঁড়োয় ভেজাল নেই তো? কীভাবে চিনবেনরোজকার ব্যবহৃত হলুদ গুঁড়োয় ভেজাল নেই তো? কীভাবে চিনবেন

রোজকার ব্যবহৃত হলুদ গুঁড়োয় ভেজাল নেই তো? কীভাবে চিনবেনরোজকার ব্যবহৃত হলুদ গুঁড়োয় ভেজাল নেই তো? কীভাবে চিনবেন
29 Oct 2021, 09:13 PM

রোজকার ব্যবহৃত হলুদ গুঁড়োয় ভেজাল নেই তো? কীভাবে চিনবেন

 


আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন: শরীর সুস্থ রাখতে আমাদের প্রয়োজন ভেজাল বিহীন খাঁটি খাদ্য দ্রব্যের। কিন্তু এই বাজারে কোনো খাঁটি কোনো খুঁজে পাওয়া খুবই মুশকিল।শুধু বাঙালী বলে নয় সমগ্র ভারতীয়দের কিন্তু হেঁশেল হলুদ ছাড়া একেবারেই অচল। তাই এখানে অন্যান্য মশলাপাতি কম পড়তেই পারে, কিন্তু হলুদগুঁড়ো থাকবেই!।

 

এর কারণ কম বেশি প্রায় প্রতিটি রান্নাতেই আমরা হলুদ ব্যবহার করে থাকি। তবে শুধু মাত্র রান্নার ক্ষেত্রেই নয় ব্যাথা উপশমে আগেকার দিনের চুন-হলুদের লেপ ও ছিল ভীষণ কাজের। হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক গুনাগুন। যা বিভিন্ন ধরণের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে আমাদের।

 

কিন্তু বহু ব্যবহার যোগ্য সেই হলুদের গুঁড়োতেই রয়েছে ক্ষতিকর কেমিক্যাল। যা বিভিন্ন মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে প্রতিদিন। আগেকার দিনে কাঁচা হলুদ বেটে রান্নায় ব্যবহার করার চল ছিল। কিন্তু এখনকার ব্যস্ত জীবনে এসব পদ্ধতি বাতিলের খাতায়। কিন্তু বাজারে ভেজাল দ্রব্যের বাড়বাড়ন্তে এটিও যে এই তালিকায় পরে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। তবে সমস্যা কোথায় জানেন যেহেতু গুঁড়ো মশলা তাই চোখে দেখে বোঝার উপায় নেই। ভেজাল থাকলেও সরাসরি মিশে যায় রান্নায়।

 

তাহলে উপায়! আছে বই কি। আপনার হেঁসেলে ব্যবহৃত হলুদ খাঁটি কিনা পরখ করা যেতে পারে একটি পদ্ধতিতে। কী সেই পদ্ধতি জেনে নিন


 

 

বাজারে অনেক সময় এমন দোকান পাবেন যেখানে সামনেই খাঁটি হলুদ থেকে গুঁড়ো করা হয়। একান্তই যদি এমন দোকান না পান সেক্ষেত্রে বাড়িতেই কাঁচা হলুদ এনে তা রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিতে পারেন। সে রকমই এক প্যাকেট হলুদ কিনুন অথবা বানিয়ে নিন।

 

অন্যদিকে আপনি এতদিন ধরে যে কোম্পানি বা দোকানের হলুদ ব্যবহার করে এসেছেন তা নিয়ে নিন কিছুটা।

 

এবার দুটি কাঁচের গ্লাস নিন। দুটি গ্লাসেই বেশ কিছুটা করে জল নিয়ে দুটি হলুদের প্যাকেট থেকে এক চামচ করে হলুদ নিয়ে জলে মেশান। এবং একটি চামচ দিয়ে খুব ভালো করে গুলিয়ে দিন।

 

কিছুক্ষণ পর খেয়াল করে দেখুন দুটি গ্লাসের মধ্যে কোন গ্লাসের জলের রং বেশি উজ্বল। যে গ্লাসের রং বেশি উজ্বল হবে সেই গ্লাসে ব্যবহৃত হলুদে ভেজাল রয়েছে। অন্য দিকে যে গ্লাসের জলের রং বেশ কিছুটা ফিকে মনে হবে সেটি হল খাঁটি হলুদ।

 

হলুদের রং উজ্বল করতে এতে ক্রোমেট নামক এক ধরণের রাসায়নিক মেশানো হয়ে থাকে। লেড ক্রোমেট বা লেড আইয়োডাইড মেশানো হলুদের গুঁড়ো ব্যবহারে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে।তাই ভেজাল হইতে সাবধান।

ads

Mailing List