সব্জি বাঁচাতে পঞ্চায়েত প্রশাসনের নেই উদ্যোগ, তাই ভাঙড়ের সাতুলিয়া গ্রামের কৃষকরা চাঁদা তুলে পাইপ লাইন বসানো শুরু করেছেন

সব্জি বাঁচাতে পঞ্চায়েত প্রশাসনের নেই উদ্যোগ, তাই ভাঙড়ের সাতুলিয়া গ্রামের কৃষকরা চাঁদা তুলে পাইপ লাইন বসানো শুরু করেছেন
28 Oct 2022, 09:25 PM

সব্জি বাঁচাতে পঞ্চায়েত প্রশাসনের নেই উদ্যোগ, তাই ভাঙড়ের সাতুলিয়া গ্রামের কৃষকরা চাঁদা তুলে পাইপ লাইন বসানো শুরু করেছেন

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন: ফসল বাঁচাতে কৃষকরা নিজেরাই নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক করতে উদ্যোগী হলেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার সব্জি ভান্ডার বলা হয় ভাঙড়কে। অথচ সব্জি বাঁচাতে পঞ্চায়েত প্রশাসনের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ। জমিতে নিকাশি নালা নেই। তাই সামান্য বৃষ্টিতেই ভগবানপুর অঞ্চলের সাতুলিয়া, কৃষ্ণমাটি, পিঠাপুকুর-সহ বিভিন্ন গ্রামের ফসলের মাঠ জলের তলায় চলে যায়। এ জন্য ভাঙড়ের সাতুলিয়া গ্রামের কৃষকরা চাঁদা তুলে পাইপ লাইন বসানো শুরু করেছেন।

ভাঙড়ে উত্‍পাদিত আম, জাম, কাঠাল, লিচু, কলার পাশাপাশি ফুলকপি, টম্যাটো, বাঁধাকপি, ক্যাপসিক্যাম, লঙ্কা, পেঁপে, লাউ, কুমড়ো ভিন রাজ্যের পাশাপাশি বিদেশেও রফতানি করা হয়। এলাকার চাষিদের অভিযোগ ভাঙড় ২ ব্লকের ভগবানপুর, চালতাবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণমাটি, সাতুলিয়া, ভগবানপুর সহ আশপাশের এলাকায় কয়েক হাজার বিঘা কৃষিজমি রয়েছে। 

অভিযোগ, ওই সমস্ত এলাকায় জল নিকাশি ব্যবস্থা খুবই খারাপ। প্রতি বছরই বর্ষার সময়, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ওই সমস্ত এলাকায় কৃষি জমিতে এক হাঁটু জল জমে যায়। চালতাবেড়িয়া ও ভগবানপুর পঞ্চায়েতের উপর দিয়ে ভাঙড় কাটা খাল ও শোনপুর বাগজোলা খাল বয়ে গিয়েছে। কৃষকদের দাবি, কংক্রিটের নিকাশি নালার মাধ্যমে কৃষি জমির জল বের করে ওই দুই খালের সঙ্গে সংযোগ করে দিলে কয়েকশো কৃষকরা উপকৃত হবেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গত কয়েক বছর কয়েকশো বিঘা কৃষি জমির ফসল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এর ফলে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু পঞ্চায়েত বা পঞ্চায়েত সমিতি সম্পূর্ণ উদাসীন। কেউ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ। তাই কৃষকরা গাঁটের কড়ি খরচ করে নর্দমা তৈরির ব্যবস্থা করেছেন।

Mailing List