‘সংবিধানের বাইরে একটি শব্দও বলেননি রাজ্যপাল’, মন্তব্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতার

‘সংবিধানের বাইরে একটি শব্দও বলেননি রাজ্যপাল’, মন্তব্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতার
25 Jan 2022, 02:50 PM

"সংবিধানের বাইরে একটি শব্দও বলেননি রাজ্যপাল", মন্তব্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতার

 

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন :  কাল প্রজাতন্ত্র দিবস। আর আজ, জাতীয় ভোটার দিবস। এদিন   বিধানসভায় বি আর অম্বেদকরকে সম্মান জানাতে এসে ফের  রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় তীব্র আক্রমণ করেন  রাজ্য সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রীকে।  তিনি বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গে অবস্থা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর।  বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে আছে রাজ্যের গণতন্ত্র।’ এই সঙ্গেই রাজ্যপাল বলেন যে পশ্চিমবঙ্গে ভোটারদের কোনও স্বাধীনতা নেই। এই সঙ্গেই একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকার এবং বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন রাজ্যপাল।

রাজ্যপাল যখন এই ভাবে একের পর এক আক্রমণ করেন সেই সময়ে তাঁর পিছনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন  বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।  একের পর এক আক্রমণে হতভম্ব বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপালের আচরণকে পালটা অসৌজন্যমূলক বলে আক্রমণ করেছেন স্পিকার ।

 তবে,  রাজ্যপালের মন্তব্যকের সমর্থনেই কথা বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

 

বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে তোপ দাগেন রাজ্যপাল। অতিমারির সময়ে দু’হাজার কোটির দুর্নীতির অভিযোগ করেন রাজ্যপালের। তাঁর অভিযোগ, মা ক্যান্টিন সহ নানা প্রকল্পের তথ্য চেয়েও মেলেনি। সংবিধান ভুলেছেন অফিসাররা। সম্মতি ছাড়াই উপাচার্য নিয়োগ হয়েছে।

তারপরেই  রাজ্যপালের বক্তব্যকে পূর্ণ সমর্থন করে  শুভেন্দু বলেন, ''গণতন্ত্র পশ্চিমবঙ্গে কোথায় আছে, সংবিধান কোথায় পালন করা হয়েছে এসব বিষয়ে রাজ্যাপাল দৃষ্টিপাত করেছেন। উনি সাংবিধানিক প্রধান।তিনি কী বলবেন তা আমি বলতে পারি না। তবে আমি যা শুনেছি তাতে মনে হয়েছে উনি একটি শব্দও সংবিধান বিরোধী বলেননি। সংসদীয় ব্যবস্থা প্রশ্নের মুখে পড়ুক এমন কিছু তিনি বলেননি।'' 

বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, ''তাঁর আইন সম্পর্কিত জ্ঞান নিয়ে আমার মনে রাজ্যের কেন দেশের কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না। উনি সুপ্রিম কোর্টের প্রবীন আইনজীবী। তাঁর অতীত অভিজ্ঞতা থেকে উনি জানেন কী করবেন আর কী করবেন না।  রাজ্যপালকে কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না।'' 

শুভেন্দুর এই মন্তব্যের পরই কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল সাংসদ  সৌগত রায়। সৌগত রায় বলেন, “এসব দেখে বলতে হয় রাজ্যপালের জামাই হচ্ছে বিরোধী দলনেতা। বিরোধী দলনেতা সপ্তাহে দু’দিন করে গিয়ে দেখা করে আসেন। উনি দেখা করার পরই রাজ্যপাল কিছু একটা বিবৃতি দেন বা চিঠি লেখেন।”

 

 

ads

Mailing List