পৃথিবীর শেষ ঠিকানা? কোথায় মেলে সেই ঠিকানা  

পৃথিবীর শেষ ঠিকানা? কোথায় মেলে সেই ঠিকানা   
03 Oct 2022, 04:45 PM

পৃথিবীর শেষ ঠিকানা? কোথায় মেলে সেই ঠিকানা  

 

দীপান্বিতা ঘোষ

 

"মধ্য রাতের দেশ" বা "নিশীথ সূর্যের দেশ" নামে পরিচিত নরওয়ে, ইউরোপের উত্তর -পশ্চিম সীমায় অবস্থিত। এই দেশটির 

পূর্বে--সুইডেন

দক্ষিণে--ফিনল্যান্ড

পশ্চিমে---রাশিয়া

উত্তরে---আটলান্টিক ও সুমেরু মহাসাগরের জলরাশি।

নরওয়ের আকর্ষণীয় জায়গা হোলো Pulpit Rock বা প্রিকেস্টোলেন। উচ্চ অক্ষাংশে অবস্থানের কারণে এখানে মহাদেশীয় হিমবাহ (continental Glacier) দেখা যায়, যেগুলি খাড়া ঢালে সরাসরি সমুদ্রে নেমে অনেক খাঁজকাটা অংশ বা ফিয়র্ড সৃষ্টি করেছে। যা এক কথায় অপূর্ব। মনে আসতে পারে কল্পনায় স্বর্গীয় দৃশ্যের অনুভূতি।

অবস্থান:

Preikestolen নরওয়ের একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থান। প্রায় 10,000 বছরেরও বেশী আগে তৈরী এটি নরওয়ের Iconic Natural Landmark.এই স্থানটিকে পৃথিবীর শেষ প্রান্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারন এর উত্তরে আর মাটির অস্তিত্ব নেই।

নরওয়ের রোগাল্যান্ড কান্ট্রিতে স্ট্র্যান্ড পৌরসভায় পর্যটকদের অতি আকর্ষণস্থল প্রিকেস্টোলেন হোলো একটি খাড়া পাহাড়ের ধার। যা লিউসেফর্ড থেকে ৬০৪ মিটার (১৯৮২ ফুট) উপরে অবস্থিত। দেখতে মালভুমির মতো খাড়া। উপরিভাগ সমতল। যেটা পর্যটকদের আরো বেশি আকর্ষণ করে। পাহাড়ের মাথায় ২৫ বাই ২৫ মিটার ক্ষেত্রফলের সমতলভুমি।

এই স্থানটিতে পর্যটনের পরিমাণ ২১ শতকের প্রথম ভাগে আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। বেস জাম্পাররা প্রায়ই পাহাড় থেকে নিচের জলে লাফ দেয়। ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার কারনে শেরপা রাই স্থানটির সবচেয়ে ব্যবহৃত পথকে আরও উন্নত করছে। নেপালী শেরপাদের দ্বারা নির্মিত পাথরের সিঁড়ি, এছাড়া সোয়াম্পল্যান্ড, অরণ্য স্থানটিতে আলাদা মাত্রা যোগ করে।

যোগাযোগ:

নরওয়ের চতুর্থ বৃহত্তম শহর হোলো স্ট্যাভ্যাঞ্জার। এর সঙ্গে ইউরোপীয় শহর সমূহের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ রয়েছে। সেই স্ট্যাভ্যাঞ্জার থেকে প্রিকেস্টোলেন এর দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার। ফলে প্রিকেস্টোলেনের জন্য এখানে পার্কিং এর সুবিধা আছে।

এছাড়া ২০২০ সালের এপ্রিলে হুন্ডভ্যাগ টানেল খোলার ফলে ৪০ মিনিটে স্ট্যাভ্যাঞ্জার থেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানো সম্স্ট্যাভ্যাঞ্জার থেকে প্রিকেস্টোলেনের প্রবেশদ্বার নরওয়েজিয়ান ন্যাশনাল রোড ১৩ এবং টাউ শহর থেকে ফেরী যোগাযোগও আছে। সাধারণত রাস্তা খোলাই থাকে এবং ফেরী ও চলাচল করে। তবে তুষারপাতের কারণে শীতকালে শীর্ষে আরোহণ করা সব সময় সম্ভব হয় না।

লেখিকা- ভূগোলের শিক্ষিকা।

Mailing List