বীরভূমে বন্ধ  স্কুল থেকে  উদ্ধার যুগলের দেহ , একই ওড়নায় আসানসোলে আত্মহত্যা দম্পতির

05 Jun 2021, 11:35 AM

বীরভূমে বন্ধ  স্কুল থেকে  উদ্ধার যুগলের দেহ , একই ওড়নায় আসানসোলে আত্মহত্যা দম্পতির

 

 

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন:  শুক্রবার বীরভূম জেলার একটি বন্ধ স্কুলের ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক যুগলের দেহ।   অন্যদিকে,  আসানসোলের জামুড়িয়া এলাকাতে কয়েক ঘন্টার মধ্যে আত্মহত্যা করলেন স্বামী ও স্ত্রী। তাও আবার একই ওড়নায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে!

করোনার কারণে এখন স্কুল বন্ধ। আর বন্ধ থাকা ওই স্কুলের হোস্টেলের ঘর  থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক  তরুণ-তরুণীর পচাগলা দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় বীরভূম জেলার মল্লারপুর এলাকায়।  

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতেরা হল ষষ্ঠী লেট ও প্রিয়া লেট। তাদের দুজনেরই বাড়ি  মল্লারপুরের মহুলা গ্রামে। একে অপরকে ভালোবাসত তারা। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলে একসঙ্গে। কিন্তু, দু'জনের কেউ-ই আর বাড়ি ফেরেনি। পরিবারে লোকেরা ভেবেছিলেন, হয়তো বিয়ে করে কোথাও চলে গিয়েছে ষষ্ঠী ও প্রিয়া। তাঁদের খুঁজে না পেয়ে  যখন থানার নিখোঁজ ডায়েরি করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন দুই জনের পরিবারের লোকজন , তখনই তাঁরা জানতে পারে স্কুলের বন্ধ ঘরে আত্মহত্যা করেছে দুজনেই।  মহুলা গ্রামেই আছে ভেলিয়ান উচ্চ বিদ্যালয়। কিন্তু লকডাউনের কারণে এখন স্কুল বন্ধ। হোস্টেলেও কেউ নেই এখন। তবে, হোস্টেলের দোতলায় একটি ঘর খোলাই ছিল। শুক্রবার বিকালের পরে গ্রামের ছেলেরা খেলতে খেলতে সেখানে ঢুকে পড়ে।    তখন ষষ্ঠী ও প্রিয়া ঝুলন্ত দেখতে পায় তারা এবং পুলিশকে জানায়। তাঁরা আগের দিনই আত্মহত্যা করে বলে ধারণা পুলিশের।   মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিস। 

অন্যদিকে, জামুড়িয়া এলাকাতে একই ওড়নায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে কয়েক ঘন্টার মধ্যে আত্মহত্যা করেছেন এক দম্পতি। তাদের নাম অভিনয় মিত্র ও পূ্র্ণিমা মিত্র। বছর খানেক আগে বিয়ে হয়েছিল। জামুড়িয়ার শান্তিনগর এলাকায় থাকতেন ওই দম্পতি। জানা গিয়েছে,  শুক্রবার ঝগড়া হয় দু'জনের মধ্যে। তারপর  নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে পুর্ণিমা গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন । এরপর প্রতিবেশীদের সাহায্যে পূর্ণিমাকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান পরিবারের লোকেরা। তখন সঙ্গে ছিলেন স্বামী অভিনয়ও। যদিও শেষরক্ষা হয়নি। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার পর ওই গৃহবধূকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিত্‍সকরা।   

এই দিকে বাড়ি ফেরার পর পূর্ণিমার মতো একই ওড়নায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন তাঁর স্বামীও।  কী কারণে এমন মর্মান্তিক পরিণতি তার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। 

ads

Mailing List