রাত্রি ১২ অবধি বার খুলে রাখার দাবি  জানাল পানশালার মালিকরা

রাত্রি ১২ অবধি বার খুলে রাখার দাবি  জানাল পানশালার মালিকরা
27 Oct 2021, 07:37 PM

রাত্রি ১২ অবধি বার খুলে রাখার দাবি  জানাল পানশালার মালিকরা

 

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন :  করোনার বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে রাজ্যে  ফের  কিছু জায়গায় জারি করা হয়েছে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন। এই সঙ্গেই রাত্রি ১১ টা থেকে সকাল ৫ টা পর্যন্ত নাইট কার্ফু জারি করা হয়েছে। রাত ১১ টার পরে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বার হলেই তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, রাত ১০ টা পর্যন্ত দোকান খুলে রাখার কথা বলা হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। তবে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী রাত সাড়ে ১০ টা অবধি সময় দেওয়া হয়েছে পানশালা ও রেস্তোরাঁগুলিকে। কিন্তু, পুলিশ জোর করে ১০ টার মধ্যে বার বন্ধ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ পানশালার মালিকদের । ফলে গ্রাহকরা আসছেন না বলে অভিযোগ করছেন তার। এর ফলে তাদের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। সমস্যায় পড়ছেন এই ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত রাজ্যের প্রায় ৫০ লক্ষ ব্যবসায়ী। তাই এই অবস্থায় রাত ১২ টা পর্যন্ত বার এবং রেস্তরাঁ খুলে রাখার দাবি তুলল তাদের সংগঠন । তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ৭২ ঘন্টার মধ্যে রাজ্য আলোচনায় না বসলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তারা। রাস্তায় নামার পাশাপাশি পানশালা বন্ধের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যে আবার বাড়ছে  করোনার সংক্রমণ।  কোভিড পরিস্থিতিতে লকডাউন জারি না করা হলেও রাজ্য সরকার একাধিক নিয়ম জারি করেছে। বেশ কিছুদিন  পানশালা বা বার এবং রেস্তোরাঁ খোলার অনুমতি ছিল না। পরে সেগুলো খোলার অনুমতি দেওয়া হলেও সময় বেঁধে দেওয়া হয়। রাজ্যের পানশালা ও রেস্তোরাঁ সংগঠনের দাবি, কোভিড বিধির  নামে পুলিশি জুলুম চলছে। তারা জানিয়েছে,  পুলিশি জুলুম বন্ধ না হলে রাস্তায় নেমে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাবেন  তারা। সাংবাদিক বৈঠক করে ‘বঙ্গীয় হোটেল রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড এক্সসাইস লাইসেনসি ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’-এর সদস্যরা জানিয়েছেন, এই সঙ্গেই রাত ১২ পর্যন্ত রেস্তরাঁ এবং বার খুলে রাখার অনুমতি দিতে হবে।এই জন্য  রাজ্যকে ৭২ ঘন্টার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে তাঁদের দাবি মেনে না নেওয়া হলে ব্যবসা বন্ধ করে দেবেন তাঁরা।

মদ কেনার জন্য আবগারি দফতর বাড়তি চাপ দিচ্ছে। এই  চাপ  কমানোর আর্জিও জানাচ্ছেন তাঁরা। এই সঙ্গেই মদের দাম কমানোর দাবি জানানো হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে।   গান বাজনার ক্ষেত্রে নিৰ্দিষ্ট নিয়ম জারি  করার কথাও বলা হয়েছে।

পানশালা কর্তৃপক্ষের দাবি, রোজ বিক্রি কমেছে গড়ে ৫০ হাজার টাকা।  এই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত্য বসু বলেন, আমাদের দাবি মানা না হলে, মদ বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ads

Mailing List