বালি পাচার রুখতে তৎপর প্রশাসন, মেজিয়ায় দামোদরের চরে আচমকা অভিযান

বালি পাচার রুখতে তৎপর প্রশাসন, মেজিয়ায় দামোদরের চরে আচমকা অভিযান
17 Oct 2020, 05:52 PM

 

বালি পাচার রুখতে তৎপর প্রশাসন, মেজিয়ায় দামোদরের চরে আচমকা অভিযান

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন, বাঁকুড়া: দিনভর অভিযান চালিয়ে মেজিয়ার দামোদর নদ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হল বালি তোলার বেশ কিছু যন্ত্রাংশ। সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় সাতজনকে। মেজিয়ার দামোদর নদে আচমকাই প্রশাসনের তরফ থেকে ওই জায়গায় অভিযান চালানো হয়।  আটক করা হয়েছে বালি পাচারের সঙ্গে যুক্ত লরিও।

শুক্রবার বিকেলে মেজিয়ার সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিক ও মেজিয়া থানার পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালায় মেজিয়া সেতু সংলগ্ন দামোদর নদে। বহু দিন থেকে এই জায়গা অবৈধভাবে বালি তোলা অভিযোগ আসছিল। বালিমাফিয়াদের আখড়া হয়ে উঠে ছিল দামোদরের তীরের এই অংশ। এদিন অভিযান চালানোর সময় বালি পাচার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট সাতজনকে গ্রেফতারও করে মেজিয়া থানার পুলিশ। শনিবার তাদের বাঁকুড়া জেলা আদালতে তোলা হয়।

দামোদরের দুই প্রান্তে বাঁকুড়া ও বর্ধমান। মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে বাংলার দুঃখের নদ নামে পরিচিত দামোদর। তবে সেই দুঃখের নদ এখন বালি মাফিয়াদের সুখের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। নদীর বুক চিরে দিনের-পর-দিন লুট হচ্ছে সোনালী সম্পদ। তাও আবার মেজিয়া সেতুর একেবারেই গা ঘেঁষে। অবৈজ্ঞানিক ভাবে এই  বালি লুঠের ফলে মেজিয়া সেতু যে কোনোও সময় ভেঙে পড়তে পারে। মেজিয়া  সেতুর এতো কাছ থেকে অবৈজ্ঞানিক ভাবে এরকম দিনের পর দিন বালি উঠলে মেজিয়া সেতু যে একদিন হুরমুড়িয়ে পড়বে এমনই কিন্তু আশঙ্কায় আশঙ্কিত স্থানীয়রা।

বালি চুরি রোধে  প্রশাসনের এই যৌথ অভিযানকে কুর্নিশ জানিয়েছে বাসিন্দাদের একাংশ। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অবৈধ বালিঘাট বন্ধে এতদিন পর কেন প্রশাসনের এই উদ্যোগ, সে নিয়ে অবশ্য মুখ খুলতে চাইনি মেজিয়া ব্লকের  ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর। দপ্তরের আধিকারিক অমিত দাস বলছেন, দামোদর নদ জুড়ে বালি মাফিয়াদের সাম্রাজ্য গড়ে তুলে ছিল। অভিযোগ পেয়ে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি।

Mailing List