রামকৃষ্ণকে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনাতেন স্বামী বিবেকানন্দ, দু’জনেই মোহিত হতেন গানের সুরে, অনেক অজানা তথ্য নিয়ে ১২০ তম প্রয়াণ দিবসে স্বামীজীকে ফিরে দেখা  

রামকৃষ্ণকে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনাতেন স্বামী বিবেকানন্দ, দু’জনেই মোহিত হতেন গানের সুরে, অনেক অজানা তথ্য নিয়ে ১২০ তম প্রয়াণ দিবসে স্বামীজীকে ফিরে দেখা   
04 Jul 2021, 08:37 PM

রামকৃষ্ণকে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনাতেন স্বামী বিবেকানন্দ, দু’জনেই মোহিত হতেন গানের সুরে, অনেক অজানা তথ্য নিয়ে ১২০ তম প্রয়াণ দিবসে স্বামীজীকে ফিরে দেখা  

 

 

ড. বিবেকানন্দ চক্রবর্তী

 

বিবেকানন্দ এক সুমহান সমন্বয়—আধ্যাত্মিক, আধিদৈবিক ও আধিভৌতিক সমন্বয়; পার্থিব ও অপার্থিব সমন্বয়; পদার্থ ও পরমার্থের সমন্বয়; ব্যষ্টি ও সমষ্টির সমন্বয়; মানুষ-মানুষে, জাতিতে-জাতিতে ও দেশে-দেশে সমন্বয়; ধর্মে ও বিজ্ঞানে সমন্বয়; ধর্মে ও কর্মে সমন্বয়; জ্ঞানে, প্রেমে ও ভক্তিতে সমন্বয়; সনাতনে ও নবীনে সমন্বয়; অতীতে, বর্তমানে ও ভবিষ্যতে সমন্বয়; আত্মার্থে ও পরার্থে সমন্বয় এবং একের সঙ্গে বহু বৈচিত্র্যের সমন্বয়।

 

শক্তিতে বিপুল, ধ্যানে তৎপর, কর্মে কুশল, ধর্মে নিষ্ঠা ও আত্মায় শ্রদ্ধা—এই হলেন স্বামী বিবেকানন্দ।

 

যে বিবেক নিয়ত দ্বন্দ্বমান শ্রেয়-প্রেয়-বিচার নয়, যে পূর্ণ বিবেক সদা আনন্দময়, যেখানে আনন্দই বিবেক, তিনিই সেই বিবেকানন্দ।

 

বিবেকানন্দের আনন্দ-জগৎ বেদ ও উপনিষদের আনন্দ-তত্ত্বের মধ্যে অন্তর্নিহিত।

 

তৈত্তিরীয় উপনিষদে বলা হয়েছে ‘ব্রহ্ম’-রসস্বরূপ, কারণ, তিনি রস অনুভব করে আনন্দ পান। সুতরাং যা আনন্দ দেয়, তাই রস। এই আনন্দ হল শিল্পীর বা শিল্পরসিকের আনন্দ। এখানে যখন ব্রহ্ম সব জড়িয়ে, সব নিয়ে আছেন তখন শিল্পী, শিল্পরসিক এবং শিল্পকর্ম একই সত্তারূপে পরিকল্পিত। তাই বিশ্বসত্তাও রসস্বরূপ হয়ে পড়েন।

তৈত্তিরীয় উপনিষদের ষষ্ঠ অধ্যায়ে উল্লেখ আছেঃ

‘আনন্দো ব্রহ্মেতি ব্যজানাৎ। আনন্দাদ্ধ্যেব খল্বিমানি ভূতানি জায়ন্তে। আনন্দেন জাতানি জীবন্তি। আনন্দং প্রয়ন্ত্যভিসংবিশন্তীতি।’

 

অর্থাৎ ভৃগু উপলব্ধি করলেন যে, আনন্দই ব্রহ্ম। কেননা আনন্দ থেকেই এই সকল প্রাণীর জন্ম হয়। জন্মের পর তারা আনন্দের দ্বারাই বর্ধিত হয় এবং যখন তারা ধ্বংস হয়ে যায় তখন আনন্দেই ফিরে যায় এবং তাতেই লীন হয়।

রবীন্দ্রনাথ ও বিবেকানন্দ ধর্ম সম্পর্কে দুই বিপরীত মেরুতে অবস্থান করতেন। একজন নিরাকার ব্রহ্মের উপাসক আর অন্যজন সাকার দেব-দেবীর উপাসক। অথচ উভয়েই সেই সৎ-চিৎ-আনন্দ-কে উপলব্ধি করেছেন, অন্তরে। রবীন্দ্রনাথের গানে সীমার বন্ধন থেকে অসীমের মুক্তির পথ খুঁজে পেয়েছিলেন বিবেকানন্দ। তাই রবীন্দ্রনাথের গানে মগ্ন থাকতেন বিবেকানন্দ।

 

নরেন্দ্রনাথ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করেছেন। তার মধ্যে কিছু কিছু গান শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের কাছেও গেয়ে শুনিয়েছেন। একথা ‘শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত’ গ্রন্থের বিভিন্ন খন্ডে এবং অন্যান্য সমকালীন গ্রন্থে উল্লেখ আছে।

 

১. ‘গগনের থালে রবি চন্দ্র দীপক জ্বলে...’

এই গানটি স্বামী বিবেকানন্দ দু’বার (২৫ চৈত্র, ১২৮৯ ও ২৭ বৈশাখ, ১২৯২) শ্রীরামকৃষ্ণকে গেয়ে শুনিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ রচিত প্রথম গান। ৪৫ তম মাঘোৎসব উপলক্ষে (১১ মাঘ, ১২৮১) আদি ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে সায়ংকালে গীত। ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার ফাল্গুন ১২৮১ সংখ্যায় প্রকাশিত। ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার ফাল্গুন ১২৭৯ সংখ্যায় গুরু নানকের একটি ভজনের গদ্যানুবাদ মুদ্রিত হয়। ১২৯৭ সালে রবীন্দ্রনাথ পিতার সঙ্গে বোলপুর হয়ে অমৃতসর যান। সম্ভবত সেখানে শিখ ভজনটি শুনে তিনি তার বঙ্গানুবাদ (প্রায় আক্ষরিক অনুবাদ) করেন। সেক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের প্রথম গানটির রচনা ১১ বছর বয়সে (১২৭৯ সাল)।

 

২. ‘দিবানিশি করিয়া যতন / হৃদয়েতে রচেছি আসন...’

এই গানটি স্বামী বিবেকানন্দ (৩০ ভাদ্র, ১২৯১) শ্রীরামকৃষ্ণকে গেয়ে শুনিয়েছিলেন। ৫১ তম মাঘোৎসব উপলক্ষে (১১ মাঘ, ১২৮৭) জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে সায়ংকালে গীত। 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার ফাল্গুন ১২৮৭ সংখ্যায় প্রকাশিত।

 

৩. ‘দুখ দূর করিলে, দরশন দিয়ে মোহিলে প্রাণ...’ এই গানটি স্বামী বিবেকানন্দ দু'বার (২৯ ফাল্গুন, ১২৯১ ও ৫ বৈশাখ, ১২৯৩) শ্রীরামকৃষ্ণকে গেয়ে শুনিয়েছিলেন। এইগান কলকাতায় আদি ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে ৫৫ তম মাঘোৎসব উপলক্ষে (১১ মাঘ, ১২৯১) প্রাতঃকালে গীত। 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার ফাল্গুন ১২৯১ সংখ্যায় প্রকাশিত।

 

৪. ‘তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা,...’

স্বামী বিবেকানন্দ দু'বার এই গান গেয়ে শুনিয়েছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণকে (৩১ আষাঢ়, ১২৯২ ও ৯ কার্তিক, ১২৯২)। ৫১ তম মাঘোৎসব উপলক্ষে (১১ মাঘ, ১২৮৭) আদি ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে প্রাতঃকালে গীত। 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার ফাল্গুন ১২৮৭ সংখ্যায় প্রকাশিত।

 

৫. ‘মহাসিংহাসনে বসি শুনিছ, হে বিশ্বপিত...’

এই গান স্বামী বিবেকানন্দ (৯ কার্তিক, ১২৯২) শ্রীরামকৃষ্ণকে গেয়ে শুনিয়েছিলেন। ৫১ তম মাঘোৎসব উপলক্ষে (১১ মাঘ, ১২৮৭) আদি ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে প্রাতঃকালে গীত। 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার ফাল্গুন ১২৮৭ সংখ্যায় প্রকাশিত।

 

৬. ‘এ কী এ সুন্দর শোভা...’

স্বামী বিবেকানন্দ (১২ কার্তিক, ১২৯২) শ্রীরামকৃষ্ণকে গানটি গেয়ে শুনিয়েছিলেন। ভারত পরিব্রাজনের সময় কাশিতে (১২৯৫) যজ্ঞেশ্বর তেলী-র বাড়িতে স্বামী বিবেকানন্দ এই গানটি এবং 'মরি লো মরি ও সখী' ও 'আমারি দুয়ারে কেন...' এই গানগুলি গেয়েছিলেন। ‘এ কী এ সুন্দর শোভা...’ গানটি ৫১ তম মাঘোৎসব উপলক্ষে (১১ মাঘ, ১২৮৭) জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে সায়ংকালে গীত। 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার ফাল্গুন ১২৮৭ সংখ্যায় প্রকাশিত।

 

৭. ‘আমরা যে শিশু অতি, অতিক্ষুদ্র মন...’

শ্রীরামকৃষ্ণের দেহত্যাগের নয় মাস পরে (২৫ বৈশাখ, ১২৯৪) নরেন্দ্রনাথ এই গানটি বরাহনগর মঠ-এ গেয়েছিলেন। ৫১ তম মাঘোৎসব উপলক্ষে (১১ মাঘ, ১২৮৭) আদি ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে প্রাতঃকালে গীত। 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার ফাল্গুন ১২৮৭ সংখ্যায় প্রকাশিত।

 

৮. 'জগতের পুরোহিত তুমি-তোমার এ জগৎ-মাঝারে...' তত্ত্বকৌমুদী পত্রিকার মাঘ এবং ফাল্গুন ১২৮৯ সংখ্যায় প্রকাশিত। গানটি সম্ভবত ২৯ মাঘ ১২৮৯-এর কিছুদিন আগে রচিত। কালীশঙ্কর সুকুলের সহিত কালীকুমার চট্টোপাধ্যায়ের কন্যা হেমন্তকুমারীর বিবাহ উপলক্ষে (২৯ মাঘ, ১২৮৯) রচিত। আবার অনেকে মনে করেন রাজনারায়ণ বসুর কন্যা লীলাদেবী এবং কৃষ্ণকুমার মিত্রের বিবাহ উপলক্ষে (১৫ শ্রাবণ, ১২৮৮) গানটি রচিত। সেই সময় রবীন্দ্রনাথ ‘দুই হৃদয়ের নদী’ এবং ‘শুভদিনে এসেছে দোঁহে' গান দু’টি রচনা করেন।

 

৯. 'শুভদিনে এসেছে দোঁহে চরণে তোমার...'

রাজনারায়ণ বসুর কন্যা লীলাদেবী এবং কৃষ্ণকুমার মিত্রের বিবাহ উপলক্ষে (১৫ শ্রাবণ, ১২৮৮) গানটি রচিত। এই উপলক্ষে রচিত অপর গানগুলি ‘দুই হৃদয়ের নদী একত্রে মিলিল যদি’ এবং সম্ভবত ‘জগতের পুরোহিত তুমি'। বিবাহ অনুষ্ঠানে স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন অন্যতম গায়ক। কাব্যগ্রন্থ (১৩২৩) দশম খণ্ডের ‘বিবাহ সঙ্গীত’ অংশের গান। কাব্যগ্রন্থাবলী (১৩০৩) গ্রন্থের 'ব্রহ্মসঙ্গীত’ অংশে মুদ্রিত।

 

১০. 'দুজনে যেথায় মিলিছে সেথায় তুমি থাকো...'

সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিবাহের দিন ছিল ২১ আষাঢ় ১৩১০। মনে হয়, এই বিবাহের পূর্বে জ্যৈষ্ঠ মাসে এই দুইটি গান গুরুদেব রচনা করেছিলেন। কাব্য-গ্রন্থ (১৩১০) অষ্টম খণ্ডের ‘গান’, ব্রহ্মসঙ্গীত পর্যায়ের গান।

 

১১. 'মরি লো মরি, আমায় বাঁশিতে ডেকেছে কে...'

প্রকৃতির প্রতিশোধ (বৈশাখ ১২৯১) নাটকের সপ্তম দৃশ্যে পথিকগণ-এর গান। কারোয়ারে (কর্ণাটক) অবস্থানকালে (১২৯০) প্রকৃতির প্রতিশোধ নাট্যকাব্যটির সূচনা হয়েছিল। কাব্যগ্রন্থাবলী (১৩০৩) গ্রন্থের প্রকৃতির প্রতিশোধ অংশে ‘একদল পথিক-এর গান' শিরোনামে সংকলিত। ভারত পরিব্রাজনের সময় কাশীতে (১২৯৫) যজ্ঞেশ্বর তেলী-র বাড়িতে স্বামী বিবেকানন্দ এই গানটি এবং ‘এ কি এ সুন্দর শোভা’ ও ‘সখী আমারি দুয়ারে কেন' গানগুলি গেয়েছিলেন।

 

১২. 'সখী, আমারি দুয়ারে কেন আসিল...'

কাব্যগ্রন্থ (১৩২৩) দশম খণ্ডের 'বিবিধ-সঙ্গীত' পর্যায়ের গান। কাব্যগ্রন্থাবলী (১৩০৩) গ্রন্থের 'গান' অংশে মুদ্রিত। গানের বহি ও বাল্মীকিপ্রতিভা (বৈশাখ ১৩০০) গ্রন্থের 'বিবিধ' পর্যায়ের গান। ভারত পরিব্রাজনের সময় কাশীতে (১২৯৫) যজ্ঞেশ্বর তেলী-র বাড়িতে স্বামী বিবেকানন্দ এই গানটি এবং ‘মরি লো মরি, আমায় বাঁশিতে ডেকেছে’ ও ‘এ কী এ সুন্দর শোভা’ গানগুলি গেয়েছিলেন।

 

কবিকৃত ইংরেজি অনুবাদ : Why did He choose to come to my door (THE GARDENER)

১৩. 'তাঁহারে আরতি করে চন্দ্র তপন, দেব মানব বন্দে চরণ...'

রবীন্দ্রনাথের অধীনে ব্রাহ্মসমাজের প্রথম মাসিক উপাসনা অনুষ্ঠানে (৬ আশ্বিন, ১২৯১) গীত। ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা এবং ‘আলোচনা’ পত্রিকার কার্তিক ১২৯১ সংখ্যায় মুদ্রিত। কাব্যগ্রন্থ (১৩২৩) দশম খণ্ডের ‘ধর্মসঙ্গীত’ অংশের গান। কাব্যগ্রন্থাবলী (১৩০৩) গ্রন্থের 'ব্রহ্মসঙ্গীত' অংশে মুদ্রিত।

 

১৪. 'তুমি কি গো পিতা আমাদের...'

রবীন্দ্রনাথ রচিত প্রথম ব্রহ্মসংগীত। ৫১তম মাঘোৎসব উপলক্ষে (১১ মাঘ, ১২৮৭) আদি ব্রাহ্মসমাজ মন্দিরে প্রাতঃকালে গীত। ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার ফাল্গুন ১২৮৭ সংখ্যায় প্রকাশিত।

 

বিশ্ববোধের আড়ালে যে বিশ্বমন বা ইউনিভার্সাল মাইন্ড কাজ করছে তার ছন্দ-স্পন্দন ধরা পড়ছে যে তন্ত্রীগুলিতে সেই তন্ত্রীগুলিই এক-একটি ব্যক্তিমন। দেশ কালের মধ্যে সেই তন্ত্রীগুলিই ব্যক্তিমন হয়ে বেজে উঠে সাড়া দিচ্ছে। এই তন্ত্রীগুলির গুণ, পরিমাণ ও স্বরভঙ্গি সবই আলাদা আলাদা এবং সেসব সুর এখনও নিখুঁত হয়ে ওঠেনি। কিন্তু তাদের রীতিনীতি ‘বিশ্বমন’-এর নিয়মেই বাঁধা, সীমার বাজনায় বেজে উঠছে। কিন্তু বাজাচ্ছেন সেই অবিনাশী শাশ্বত বাদক, যাঁর নৃত্যসংগীতের তালে তালে বিদ্রোহী পরমাণু থেকে চন্দ্রভানু ও অন্যান্য গ্রহনক্ষত্র পর্যন্ত বিবশ অবস্থা ছেড়ে, প্রাণবেদনায় ঝংকৃত হয়ে উঠছে :

 

‘The Eternal Player plays his dance—music of creation’.

 

এই অনন্ত অবিনাশী অরূপের আবির্ভাব যেমন ঘটেছে রূপের সীমায়, অন্যদিকে রূপের ব্যাকুলতাও চলেছে সেই অরূপের উপলব্ধির জন্যে, তাকে ধ্যানে পাবার জন্যে। এই পারস্পরিক অভিমুখীনতাকে বিবেকানন্দ এবং রবীন্দ্রনাথ দুজনেই সমানভাবে গ্রহণ করেছেন।

 

মত ও পথের প্রভেদ থাকলেও এই দুই যুগপুরুষ সেই আত্মগত আনন্দের সন্ধান দিয়ে গিয়েছেন যাকে আত্মস্থ করতে হলে ভূমি থেকে ভূমা-য় উত্তীর্ণ হতে হবে।

 

(ড. বিবেকানন্দ চক্রবর্তী, রাষ্ট্রপতি-পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও রবীন্দ্র গবেষক)

ads

Mailing List