বঙ্গ বিজেপিতে এবার লেগে গেল সুকান্ত ও শুভেন্দুর যুক্তিযুদ্ধ

বঙ্গ বিজেপিতে এবার লেগে গেল সুকান্ত ও শুভেন্দুর যুক্তিযুদ্ধ
03 Jul 2022, 07:37 PM

বঙ্গ বিজেপিতে এবার লেগে গেল সুকান্ত ও শুভেন্দুর যুক্তিযুদ্ধ

 

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন: এ রাজ্যে দলকে চাঙ্গা করতে কৌশলগত কারণে দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে দিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। তারপর রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন অপেক্ষাকৃত তরুণ নেতা সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের হাতে। অঙ্ক ছিল পরিষদীয় দলকে নেতৃ্ত্ব দেবেন বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সংগঠন চালাবেন সুকান্ত।

তবে দলের মূল রাশ থাকবে শুভেন্দুর হাতেই। তাই শুভেন্দুর পরামর্শ মেনে সভাপতি হিসেবে অপেক্ষাকৃত তরুণ ও কম ওজনের সুকান্তকে বেছে নেওয়া হয়। কিন্তু ক’দিনের মধ্যেই পরিষ্কার এই দু’জনের মধ্যে আর সেই আগেই তালমিল নেই। সুকান্ত ও শুভেন্দুর মধ্যে মতের অমিল বাড়ছে। সেটা ক্রমশ সামনে চলে আসছে। বাংলা থেকে চব্বিশের ভোটে কটা আসন পাবে বিজেপি, এই নিয়ে দু’জনের মতবিরোধ একেবারে সামনে চলে এসেছে।

ক’দিন আগেই উত্তর চব্বিশ পরগনার নোয়াপড়ায় গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, চব্বিশের ভোটে বাংলায় ৩৬টি আসন পাবে বিজেপি। সেই সঙ্গে চব্বিশেই উল্টে যাবে বাংলার তৃণমূল সরকার। এরপরই হায়দরাবাদে বিজেপির কার্যকরী সমিতির বৈঠকে গিয়ে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলে বসেন, চব্বিশে এ রাজ্য থেকে বিজেপি ২৫টি আসন পাবে। হঠাৎ করে কেন তিনি ১১টা আসন কমিয়ে দিলেন কেউ জানে না। চব্বিশের ফলাফল নিয়ে রাজ্যের দুই শীর্ষ নেতার এই আলাদা আলাদা মত শুনে মুচকি হাসছেন অন্যান্য নেতা-কর্মীরা। তবে সুকান্তবাবু হঠাৎ কেন ও কী কারণে শুভেন্দুর দাবি উড়িয়ে আসন নিয়ে পালটা দাবি করলেন সেটাই প্রশ্ন।

দলের একাংশের দাবি, রাজ্যের দুই শীর্ষনেতার মধ্যে মতবিরোধ চরমে পৌছেছে। এমনিতেই রাজ্যে দলের সংগঠন তলানিতে। দলীয় কোন্দল উর্ধ্বমুখী। এই অবস্থায় যে দুই মুখকে সামনে রেখে এ রাজ্যে হালে পানি পেতে চাইছেন কেন্দ্রীয় নেতারা এবার তাঁদের মতবিরোধই সামনে চলে এল। এদিকে আরএসএসের করা সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা নিয়ে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে ব্যাপক চর্চা চলছে। তাঁরা  নাকি সমীক্ষা করে দেখেছে, এখনই যদি বাংলায় লোকসভা ভোট হয় তাহলে দুটির বেশি আসন পাবে না বিজেপি। সে দুটি হল, দার্জিলিং এবং বনগাঁ। তবে কোনও তরফেই এর কোনও সত্যতা মেলেনি।

Mailing List