বর্ষা এলো বলে, গঙ্গা কী আবার কেড়ে নেবে চাষের জমি, বসতবাটি! বাঁ সংস্কার না হওয়ায় আশঙ্কায় দিন গুনছেন শান্তিপুরের মানুষ

বর্ষা এলো বলে, গঙ্গা কী আবার কেড়ে নেবে চাষের জমি, বসতবাটি! বাঁ সংস্কার না হওয়ায় আশঙ্কায় দিন গুনছেন শান্তিপুরের মানুষ
08 Jun 2022, 03:50 PM

বর্ষা এলো বলে, গঙ্গা কী আবার কেড়ে নেবে চাষের জমি, বসতবাটি! বাঁ সংস্কার না হওয়ায় আশঙ্কায় দিন গুনছেন শান্তিপুরের মানুষ

 

কুহেলি দেবনাথ, শান্তিপুর

 

প্রতি বছর বর্ষা এলেই বুক ধড়ফড় করে। কথায় আছে না, নদীর ধারে বাস দুঃখ বারোমাস। বর্ষা এলেই যে ফুলে ফেঁপে ওঠে নদী। দুর্বল বাঁধ ভেঙে হুড়মুড়িয়ে চলে যায় নদী গর্ভে। পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি ছেড়ে লোটাকম্বল নিয়ে মাথাগোঁজার ঠাঁই খুঁজতে অন্যত্র যেতে হয় নদীপাড়ের মানুষকে।

এভাবেই বসতবাটি, চাষের জমি গঙ্গাবক্ষে যেতে দেখেছেন এলাকার মানুষ। আর যখনই বন্যায় বাঁধ ভেঙে সব জলে তলিয়ে যায় তখনই প্রশাসনিক আধিকারিকরা ছুটে যান এলাকায়। ছুটে যান শাসক দলের নেতানেত্রী থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীরা। চলে রাজনৈতিক চর্চা। মেলে বাঁধ সংস্কারের আশ্বাস। তারপর কিছুদিন কেটে গেলে ফের একই অবস্থা।

তাই এবার নদিয়ার শান্তিপুরের একাধিক এলাকার মানুষ বর্ষার আগেই দুশ্চিন্তায় ভুগতে শুরু করেছেন। এবারও বর্ষায় তলিয়ে যাবে না বসতবাটি? কারণ, গঙ্গা বইছে বাড়ির পাশ দিয়ে। তার বাঁধ ভাঙতে ভুঙতে দুর্বল হয়ে গিয়েছে। বাঁধ মজবুত করার আশ্বাসও মিলেছিল। সেচ দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে গঙ্গার বাঁধ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামীও। আশ্বাস দিয়েছিলেন, দ্রুত বাঁধ মেরামতি হবে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, কোথায় কী? তিনি আশ্বাস দিয়ে যাওয়ার পরেও তো বাঁ সংস্কারের কোনও কাজই শুরু হয়নি। অন্যদিকে বর্ষা এলো বলে? বাড়িঘর, রাস্তা থেকে শুরু করে ফের চাষের জমি গঙ্গাবক্ষে চলে যেতে পারে। ফলে এলাকাবাসীর মনে বাড়ছে ক্ষোভ। তাঁদের দাবি, ভাঙন রোধে দ্রুত পদক্ষেপ করুক সরকার।

যদিও শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী বলেন, সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে ভাঙ্গন পরিদর্শন করেছি। সংস্কারের জন্য সব কাগজপত্র তৈরি করা হয়ে গিয়েছে। এখন শুধু কাজ শুরু হওয়া বাকি। খুব তাড়াতাড়িই কাজ শুরু হবে। সে ব্যাপারে সব ধরণের পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

ads

Mailing List