সৌভিককে গুলি করে মেরেছে বিজেপির লোকেরা, দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের

সৌভিককে গুলি করে মেরেছে বিজেপির লোকেরা, দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের
24 Feb 2021, 07:58 PM

সৌভিককে গুলি করে মেরেছে বিজেপির লোকেরা, দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদনঃ সৌভিক দলুই খুনের ঘটনাতে শুরু হয়ে গেল  একে অপরের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তোলার পালা। মঙ্গলবার রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে সৌভিক দলুইয়ের।

নারায়ণগড়ের অভিরামপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সৌভিক দলুইকে গুলি করে মেরেছে বিজেপির লোকেরাই বলে দাবি করল জেলা তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জেলা বিজেপির দাবি শাসকদলের নিজেদের মধ্যে কোন্দলের জেরেই  ওই ঘটনা ঘটে।

পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ের অভিরামপুরে মঙ্গলবার রাতের ওই হামলাতে আহত হয়েছিলেন তিনজন। তাঁদের ওপরে গুলি চালানর পাশাপাশি বোমা ছোড়াও হয়।

গুলিবিদ্ধ হয়ে সৌভিকের মৃত্যু নিয়ে নারায়ণগড় থানায় লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। কেউ বা কারা গুলি চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বোমায় আহত দুজনের চিকিৎসা চলছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এর মধ্যে ওই হামলাতে আহত সীতারাম মুর্মুকে কলকাতায় রেফার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খড়গপুর) রাজা মুখোপাধ্যায় বলেন,  “পুরো ঘটনার ঘটেছে তদন্ত শুরু হয়েছে।”

এইদিকে সৌভিকের পরিবারের দাবি, ফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সৌভিক দলুইকে। সৌভিকের মা সুনিতার অভিযোগ," আমার ছেলে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী ছিল। তাকে হুমকি দেওয়া হত। কিন্তু তার পরিণাম যে এত ভয়ংকর হবে তা বুঝতে পারইনি। যারা  আমার ছেলেকে মেরেছে তাদের কঠোর শাস্তির দেওয়া হোক।" এদিকে মৃতের প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, ঘটনার পিছনের দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থাকলেও থাকতে পারে। তবে নারায়ণগড় ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মিহির চন্দ্র বলেন, “দলের কর্মী ছিলেন সৌভিক। কে বা কারা তাকে মারল তার তদন্ত করছে পুলিশ। এর দলের কোন কোন্দল নেই।"

 

মঙ্গলবার রাতে অভিরামপুরে বোমাবাজি ও গুলি চলার ঘটনা ঘটে। আহতদের প্রথমে খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে এবং পরে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে সৌভিকের মৃত্যু হয়। তার পরিবারের অভিযোগ,  গতকাল ফোন করে ডাকা হয়েছিল সৌভিককে। বাড়ি থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

এই দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অজিত মাইতির দাবি এই ঘটনার পিছনে আছে বিজেপি। তিনি বলেন, "ওই এলাকায় খুব ভালো কাজ করছিল সৌভিক। বিজেপি চক্রান্ত করে পেছন থেকে গুলি করে মেরেছে। ওই এলাকায়  আমাদের সাথে বিজেপি পেরে উঠছিল না বলেই হামলা চালিয়েছে"।

 বিজেপির জেলা সভাপতি শমিত কুমার দাশ এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে  বলেন,  "ওই ঘটনার সাথে বিজেপি কোনভাবেই জড়িত নয়। তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দলের কারণে এই ঘটনা।"

Mailing List