প্রকৃতি জুড়েই রঙের খেলা, তবু সব ছুটে পার্লারে, পরিবেশ বান্ধব রঙের উপকারিতা ও গুন বিশ্লেষণ করলেন গবেষকরা

প্রকৃতি জুড়েই রঙের খেলা, তবু সব ছুটে পার্লারে, পরিবেশ বান্ধব রঙের উপকারিতা ও গুন বিশ্লেষণ করলেন গবেষকরা
12 Oct 2020, 07:30 PM

প্রকৃতি জুড়েই রঙের খেলা, তবু সব ছুটে পার্লারে, পরিবেশ বান্ধব রঙের উপকারিতা ও গুন বিশ্লেষণ করলেন গবেষকরা

জঙ্গল মহলে পরিবেশ বান্ধব রং সৃষ্টিকারী উদ্ভিদের সন্ধানে এবং তার ভেষজ গুনের ব্যবহার নিয়ে বিদ্যসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ ও বনবিদ্যা বিভাগ গবেষণা করেছে। এ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষত দক্ষিণবঙ্গে যে প্রচুর পরিমাণ উদ্ভিদ রয়েছে তা দেখিয়েছেন তাঁরা। সেই সমস্ত উদ্ভিদের রঙ কিভাবে ও কোন কাজে ব্যবহৃত হয়, তা সুফল কী, কিভাবে তার ব্যবহার বাড়ানো যায়, হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে আলোকপাত করলেন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ ও বনবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক অমলকুমার মন্ডলদুই ছাত্র সৌভিক মাইতি এবং পল্লব দাস

অমলকুমার মন্ডল

সৌভিক মাইতি পল্লব দাস

 

প্রকৃতি জুড়েই রঙের খেলা। শিল্পীর রঙিন ক্যানভাসের মতো প্রকৃতিতে যেন শুধুই রঙের উৎসব। কিন্তু বিজ্ঞানীদের কাছে রঙ বিভিন্ন তরঙ্গের খেলা। আমাদের জীবনে রঙের প্রভাব অসামান্য। তবে বিভিন্ন রঙের মধ্যে কতকগুলি রঙ যেমন লাল, হলুদ, কমলা এগুলো উষ্ণ রঙ। আর কতকগুলো শীতল। যেমন সবুজ, নীল, বেগুনী। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের দূরত্ব বাড়ছে। তবুও প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত উপাদান ছাড়া আমাদের জীবন প্রায় অর্থহীন। যখন রাসায়নিক বিপ্লব ঘটেনি, তখন মানুষ প্রাকৃতিক রঙ দিয়েই পোশাক ও আসবাবপত্র রাঙিয়ে তুলত। চার হাজার বছর আগে মহেঞ্জোদারো সভ্যতার ইন্দুসভালি তে পোশাকে প্রাকৃতিক রঙের ব্যবহার খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। এর আরও পরে পুরনো বিশ্বের মেসোপটেমিয়া, মিশরীয় সভ্যতায় এবং তুতেন খামেনের সমাধিও প্রাকৃতিক রঙের শৈল্পিক সৌন্দর্যে মহিমান্বিত ছিল। যখন কোনও রকম যান্ত্রিকতা মানুষ কল্পনাও করতে পারত না, তখন পোশাকের ঐশ্বর্য ফুটে উঠত প্রাকৃতিক রঙে। শুধু পোশাক নয় বিভিন্ন গুহা চিত্রে অঙ্কনের মাধ্যমও ছিল প্রাকৃতিক রঙ। এই প্রাকৃতিক রঙের প্রধান উৎস হল উদ্ভিদ। ভারতবর্ষে প্রাকৃতিক রঙ উৎপাদনকারি উদ্ভিদের সংখ্যা প্রায় ৪৫০ টি। এই প্রাকৃতিক রঙ উৎপাদনকারী  উদ্ভিদ গুলি শুধু মাত্র রঙ উৎপাদন করে থাকে তা না, এগুলি প্রচুর ভেষজ গুন সম্পন্নও। এই সমস্ত উদ্ভিদ গুলির বিভিন্ন অংশ যেমন পাতা, ফুল, উদ্ভিদের ছাল, শেকড়, ইত্যাদি থেকে রঙ পাওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গে ও এই ধরনের অনেক গাছ রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ও জঙ্গল মহল এলাকায়। বর্তমানে প্রাকৃতিক রঙের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে টেক্সটাঈল, কসমেটিক্স ইত্যাদি কারখানা। ন্যাচারাল রঙ ব্যবহার করা   হচ্ছে বিভিন্ন খাবারে। কারণ, এর মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে। এই রঙ ব্যবহারে রয়েছে নানা সুবিধা। যেমন কেমিক্যাল রঙের দূষণ থেকে পরিবেশকে বাঁচায় তেমনই এই রঙ দেশীয় গাছপালা থেকে পাওয়া যায়। এই ধরণের রঙ ত্বকে কোনও প্রকার অ্যালার্জি করে না। ত্বক ঠাণ্ডা রাখে। এর বর্জ্যও সহজে মাটিতে মিশে যায়।

জঙ্গলমহল এলাকাতে এইরকম অনেক উদ্ভিদ রয়েছে যা প্রাকৃতিক ভাবে রঙ উৎপাদন করে। কিন্তু প্রয়োজনীয় গবেষণার অভাবে আমরা অনেকেই অবগত নই। সেরকমই একটি উদ্ভিদ হল ধাতকি বা ধাউরা। এটি Lythraceae পরিবারের উদ্ভিদ। যার বৈজ্ঞানিক নাম Woodfordia furticosa। এই উদ্ভিদটির পাতা ও ফুল থেকে প্রাকৃতিক রঙ পাওয়া যায়। এই উদ্ভিদটি থেকে যে শুধু রঙ পাওয়া যায় তা নয়, প্রচুর ভেষজ গুন সম্পন্নও। এর ফুল dysentery, spermatorm hoea, diarrhoea, dyspepsia, menorrhagia, রোগের চিকিৎসাই ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

বর্তমান সময়ে বাজারে পাওয়া বেশির ভাগ Cosmetics রাসায়নিক রঙ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যার ফলে এগুলি আমাদের শরীরের ওপর খুব ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। বিভিন্ন রকমের চর্ম রোগের প্রকোপ দেখা দেয়।  রোমান দার্শনিক Plautus এর উক্তি আছে “A Woman without paint is like food without salt”। একদম তাই। মহিলাদের সাথে রঙ এর একটি অনন্য মিল পাওয়া যায়। প্রায় প্রাগ ঐতিহাসিক সময় থেকে হেনা বা মেহেন্দি ব্যবহার হয়ে আসছে। এই মেহেন্দি বা হেনা Lowsonia inermis নামক উদ্ভিদ থেকে প্রস্তত করা হয়ে থাকে এই উদ্ভিদটি ঝাড়গ্রাম, গোপীবল্লভপুর, বেলপাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। মেহেন্দি থেকে যে রঙ আমরা দেখে থাকি এটি পাতা থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু বর্তমানে আমরা বাজার থেকে যে মেহেন্দি পাই তার বেশির ভাগই রাসায়নিক রঙযুক্ত। যার ফল স্বরূপ বিভিন্ন চর্ম রোগ দেখা দিচ্ছে। রঙ পাওয়ার পাশাপাশি এই উদ্ভিদ এর ছাল tribal রা জন্ডিস এর চিকিৎসা ব্যবহার করে। এছাড়াও এটি Leprosy, Burns and Scalds, Insomnia প্রভিতি রোগের চিকিৎসাতে ব্যবহার হয়ে থাকে।

দক্ষিণবঙ্গের তথা জঙ্গাল মহলের উল্লেখযোগ্য জেলা হল পুরুলিয়া। পুরুলিয়া বললে আমাদের মনে দুটি জিনিস সবার প্রথম হয়। ছৌনাচ ও কবিগুরুর পছন্দের পলাশ। বসন্তে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় যেন রঙের উৎসবে মেতে ওঠে। এই পলাশ এর ফুল যেমন প্রাকৃতিক শোভা বর্ধন করে তেমনই এর থেকে প্রাকৃতিক রঙ পাওয়া যায়। পলাশ ফুল থেকে লালচে হলুদ রঙ পাওয়া যায়। বর্তমান সময়ে পলাশ ফুল থেকে আবির প্রস্তুত করা হয়। পলাশ ফুল এর বৈজ্ঞানিক নাম Butea manasperma। এটি Flare of the forest নামেও পরিচিত। এই উদ্ভিদ এর অনেক ভেষজ গুন রয়েছে। যেমন এর বীজ Antheminle, Sedative, হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

নীল চাষের যন্ত্রণায় ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন এবং নীল চাষের বাধ্যবাধকতার ইতিহাস আমরা জানি। এর একমাত্র কারণ, ছিল নীলের ঐশ্বর্যে অধিক মুনাফা এবং সে মুনাফার লোভে চাষিদের শোষণ ও অত্যাচারের কারনেই মানুষ মূলত এর বিপক্ষে অবস্থান নেয়। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী নীলের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই নীল এখন বেদনার নয়। এটি ভালোবাসার রং। এই Indigo  ডাই পাওয়া যায় বন নীল (Indigofera tinctoria) উদ্ভিদের পাতা থেকে। এই উদ্ভিদটি বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয় যেমন-কুষ্ঠ, নার্ভের সমস্যা, ফুসফুসের সমস্যা, চর্মের সমসা ইত্যাদি তে ব্যবহার করা হয়, এই নীল রঙ সিল্ক বস্ত্র শিল্পে ব্যবহার খুব পরিমানে হয়ে থাকে।

প্রাচীনকাল থেকেই দইগোটা বা লটকন ব্যবহৃত হচ্ছে আমাদের দেশে। এই কমলা হলুদ বা গাড় লাল রঙ পাওয়া যায় দইগোটা বা লটকন ফলের বীজ (Bixa orellana) থেকে। এই রঙ সিল্ক ও টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে প্রায় সব ধরনের খাবারে রাসায়নিক রঙ ব্যবহার করা হয়। এইগুলি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। এর স্বাস্থ্যসম্মত বিকল্প হতে পারে প্রাকৃতিক রঙ। এই প্রাকৃতিক কমলা রঙ ঘী, মাখন, চকলেট, ইত্যাদিকে রঙ করার জন্য ব্যবহার হচ্ছে। এই উদ্ভিদটি বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে ব্যবহার করা হয় যেমন – গনোরিয়া, জ্বর, জন্ডিস, ইতাদি।

প্রাকৃতিক রঙে রাঙানো পোশাকের চল আমাদের দেশে অনেক দিন ধরেই, বেশকিছু ফ্যাশান হাউস কাজ করছে এই নিয়ে। আর পোশাকে প্রাকৃতিক রঙ তুলে ধরার পাশাপাশি শাড়ি, স্কার্ট, টপ, প্যান্ট, ধুতি, ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাসায়ণিক রঙের বিকল্প হিসাবে বেছে  নেওয়া হয়েছে প্রাকৃতিক রঙ। খয়ের থেকে যে খয়রি রঙ পাওয়া যায় সেটিকে ব্যবহার করা হচ্ছে বস্ত্র শিল্পে। এই খয়রি রঙ পাওয়া খয়ের গাছের ছাল (Acacia catechu) থেকে, এই গাছের রঙের কেবল বস্ত্র শিল্পে ব্যবহারই নয়, এর কিছু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও রয়েছে। যেমন- চর্মরোগ, ডাইরিয়া, দাঁতের সমস্যা, ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। 

জঙ্গলমহল সহ দক্ষিণবঙ্গ জুড়েই আমরা অর্জুন গাছের সারি লক্ষ্য করে থাকি। এটি Combretaceae পরিবারভুক্ত উদ্ভিদ। যার বৈজ্ঞানিক নাম  Terminalia arjuna । এই উদ্ভিদ এর ছাল থেকে আমরা প্রাকৃতিক রঙ পেয়ে থাকি। এর থেকে হলুদাভ বাদামী রঙের প্রাকৃতিক রঙ পাওয়া যায়। এর ছাল থেকে প্রাপ্ত রঙ বস্ত্রশিল্পে সিল্ক রঙ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এই উদ্ভিদ ভেষজ ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এই উদ্ভিদের ছালের নির্যাস প্রতিদিন খেলে হৃৎপিণ্ড সতেজ রাখে। এছাড়াও এটি লিভার টনিক হিসাবে ব্যবহার করা হয়। Hernia চিকিৎসাতে ব্যবহৃত হয়।

দক্ষিণবঙ্গের আরও কিছু উদ্ভিদ রয়েছে যেগুলি চাষআবাদ করা হয়। যা থেকেও প্রাকৃতিক রঙ পাওয়া যায়। দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পুঁই শাক এর চাষ হয়। এটি সাধারণত সবজি হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। গ্রামবাংলায় একটি প্রচলিত প্রবাদ বাক্য রয়েছে,  "শাকের মধ্যে পুঁই, মাছের মধ্যে রুই"। পুঁই যেমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সবজি, তার পাশাপাশি এটি প্রাকৃতিক রঙের উৎস ও প্রচুর ভেষজগুণ সম্পন্ন উদ্ভিদ। এটি Besellaceae পরিবারভুক্ত উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Basella alba। এর পাকা ফল থেকে মেরুন রঙের প্রাকৃতিক রঙ পাওয়া যায়। এই রঙের দ্বারা সিল্ক ও সুতির বস্ত্র রঙ করা হয়ে থাকে। এছাড়াও জেলি ও মিষ্টিতেও রঙের জন্য ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও পটচিত্রতে এর বহুল ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। এটি ভেষজগুন সম্পন্ন। এর পাতার রস গনোরিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

প্রকৃতিতে আমরা যা কিছু রঙিন দেখি তা বেশিরভাগই ফুল এর মাধ্যমে। এই ফুল যেমন প্রকৃতিতে স্বাভাবিক ভাবে হয় তেমনই কিছু ফুল চাষ করা হয়। আমরা বিভিন্ন কাজে ফুল ব্যবহার করে থাকি। যার ফলস্বরূপ প্রচুর পরিমানে ফুল উৎপাদনের জন্য ফুল এর চাষ করা হয়। সেরকমই দুই মেদি‌নীপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল, ক্ষীরাই, জকপুর, পাঁশকুড়া প্রভৃতি অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে গাঁদা ফুল এর চাষ করা হয়। গাঁদা ফুল এর পাপড়ি থেকে প্রচুর পরিমানে প্রাকৃতিক রঙ পাওয়া যায়। এর থেকে হলুদ বা কমলা রঙের প্রাকৃতিক রঙ পাওয়া যায়। এটি Compositae (Asteraceae) পরিবারভুক্ত উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম  Tagetes erecta। এই উদ্ভিদ টি Bronchitis ও বাত চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে থাকে। 

এছাড়াও দক্ষিণবঙ্গে ও জঙ্গল মহল এলাকা তে আরও অনেক উদ্ভিদ রয়েছে যারা প্রাকৃতিক রঙ উৎপাদন করে।

বর্তমান সময়ে মানুষের মধ্যে প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত জিনিস এর চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলেছে। তা খাবারের রঙ থেকে শাড়ির রঙ, প্রসাধন শিল্প। কিন্তু রাসায়নিক রঙের দামের সঙ্গে খাপ খাওয়া্তে না পারার কারনে প্রাকৃতিক রঙ অনেক বেশি পরিবেশ বান্ধব হয়েও বাজারে সহজ লভ্য নয়। আরও উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োজন। যাতে প্রাকৃতিক রঙের গুণমান, পরিমাণ বাড়ানো ও নিষ্কাশনের খরচ কমানো যায়। ভারতীয় উপজাতি গুলির মধ্যে আরও অনেক প্রাকৃতিক রঙ উৎপাদনকারি উদ্ভিদ সম্বন্ধীয় জ্ঞান রয়েছে। যা তাঁরা বংশ পরম্পরায় অর্জন করেছেন। যা প্রয়োজনীয় গবেষণার অভাবে চিরতরে হারিয়ে যাচ্ছে। সেগুলি যাতে হারিয়ে না যায় তার ওপর নজর দেওয়া বিশেষ প্রয়োজন। অদূর ভবিষ্যতে রাসায়নিক রঙের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থেকে বাঁচতে প্রাকৃতিক রঙের ব্যবহার বাড়াতে হবে। আর করা গেলে বিভিন্ন অ্যালার্জি জনিত রোগের হাত থেকে যেমন রক্ষা পাব তেমনই পরিবেশকেও বিভিন্ন রাসায়নিক দূষণ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

গবেষণায় পরোক্ষে সাহায্য করেছেন অয়নকুমার নস্কর

 

Mailing List