২০১৪ টেটের ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২০-তে ৩৯২৯ জনের নিয়োগ, হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে পর্ষদ

২০১৪ টেটের ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২০-তে ৩৯২৯ জনের নিয়োগ, হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে পর্ষদ
08 Nov 2022, 07:30 PM

২০১৪ টেটের ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২০-তে ৩৯২৯ জনের নিয়োগ, হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে পর্ষদ

 

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন: প্রাথমিকের ৩ হাজার ৯২৯ টি শূন্যপদে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার ডিভিশন বেঞ্চে গেল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। এর আগে ২০১৪-র টেটের ভিত্তিতে ২০২০ সালে দ্বিতীয় পর্যায়ের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে পর্ষদ।

প্রাথমিকের ১৬ হাজার ৫০০ পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। তারপরও বহু পদ ফাঁকা রয়েছে, এই অভিযোগ জানিয়ে মামলা হয় আদালতে। মামলাকারীদের দাবি ছিল, পরবর্তী টেটের আগে এই শূন্যপদগুলি পূরণ করতে হবে। মামলা চলাকালীন পর্ষদের সঙ্গে আলোচনায় উঠে আসে ৩ হাজার ৯২৯ টি পদ ফাঁকা রয়েছে। এরপরই ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই শূন্যপদ পূরণের নির্দেশ দেন বিচারপতি।

তিনি বলেন, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপযুক্ত প্রার্থীদের ওই পদে নিয়োগ করতে হবে। এবার সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই আদালতের দ্বারস্থ হল পর্ষদ। ফলে ওই চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ নিয়ে ফের তৈরি হল অনিশ্চয়তা। আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হতে পারে। একই সঙ্গে ২০১৬ র ক্ষেত্রে এখনও সাত জেলায় ১,৬৩০ টি শূন্যপদ রয়েছে বলে দাবি ২০১৪-র টেট উত্তীর্ণদের। সেগুলিতে অবিলম্বে নিয়োগের জন্য মেধাতালিকা প্রকাশেরও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তা নিয়ে পর্ষদকে মামলাকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার পরামর্শ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আগামী বুধবার বৈঠকের দিন জানানো হবে বলেই পর্ষদ সুত্রে জানা গিয়েছে।

Mailing List