উড়িষ্যার কুলডিহা অভয়ারণ্যের মনোরম স্মৃতি / প্রথম পর্ব

উড়িষ্যার কুলডিহা অভয়ারণ্যের মনোরম স্মৃতি / প্রথম পর্ব
21 Sep 2022, 02:45 PM

উড়িষ্যার কুলডিহা অভয়ারণ্যের মনোরম স্মৃতি / প্রথম পর্ব

 

ডঃ গৌতম সরকার

 

উড়িষ্যার বালাসোর জেলার অন্তর্গত জঙ্গলের মনকাড়া সৌন্দর্য্য ও ততোধিক আকর্ষণীয় জংলী জানোয়ার নিয়ে গড়ে ওঠা এই অভয়ারণ্য পর্যটন জগতে কুলীন হয়ে  উঠতে  পারেনি। তার  কারণ  বহুবিধ।  এক, এখানে অন্যান্য পাঁচটা তথাকথিত পর্যটন স্থলের মতো অবাধ আনন্দ ও আরামের ব্যবস্থা নেই। দুই, যাতায়াত ব্যবস্থা খুব সোজা সরল নয়। তিন, হোটেল-রেস্তোরাঁ নেই। নিজের রেশন নিজেরা কিনে এনে দিলে এরা রান্না করে দেবে, ইত্যাদি। শুধু জঙ্গল এবং জঙ্গলের পশুপাখিকে ভালোবেসে যারা আসতে চান তাদের ন্যূনতম প্রয়োজনটুকু মেটানোর ব্যবস্থাটুকু এখানে পাবেন। তবে নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্যের প্রতিটি জিনিস এখানে আশা করবেন না। গোটা অভয়ারণ্যটি ২৭২.৭৫ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত, রাত্রে থাকার ব্যবস্থা আছে কেবল তিন জায়গায়। কুলডিহা, জোড়াচুয়া এবং রিসিয়া। আমরা প্রথম দুটি জায়গায় দু’রাত্রি করে চার রাত্রি এই জঙ্গলে কাটিয়েছিলাম এবং খুব উপভোগ করেছিলাম বলাই বাহুল্য।

কুলডিহা অভয়ারণ্য সিমলিপাল অভয়ারণ্যের সাথে সুখুপাড়া এবং নাকো পর্বত শ্রেণী দ্বারা সংযুক্ত। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলেছে একটি   ক্ষীণ পার্বত্য নদী। জঙ্গলে যেসমস্ত প্রাণীর সাথে আচম্বিতে দেখা মিলতে পারে সেগুলি হল- বাঘ, চিতা, হাতি, গউর, সম্বর, দৈত্য কাঠবিড়াল। এছাড়া বহু পাখির দর্শন মেলে। যেমন, পাহাড়ি ময়না, বনমোরগ, হর্নবিল, ক্রেস্টেড সার্পেন্ট ঈগল, ব্ল্যাক নেপড মোনার্ক, এশিয়ান প্যারাডাইস ফ্লাইক্যাচার, স্কারলেট মিনিভেট, স্মল মিনিভেট, এমেরাল্ড ডাভ, রেড জাঙ্গল ফাউল, অরেঞ্জ ব্রেস্টেড গ্রিন পিজিয়ন, হোয়াইট রামপড শ্যামা এবং অন্যান্য পরিযায়ী পাখি। তাছাড়া গরমকালে এই অভয়ারণ্যে পাওয়া যায় ইন্ডিয়ান পিট্টা, হোয়াইট ব্রায়োড বুলবুল, পাফ থ্রোটেড ব্যবলার, মালাবার ট্রোগন, পিন স্ট্রাইপড টিট ব্যবলার ইত্যাদি দক্ষিণ ভারতীয় পাখি। এখানে ‘পেনিনসুলার রক আগামা’ নামে এক প্রজাতির প্রচুর গিরগিটি  আছে। শাল-সেগুণের মধ্যে দিয়ে পথ চলে গেছে অনিশ্চিতের পথে, পথচলার সঙ্গী কেবল পাতার মর্মর আর চেনা-অচেনা পাখির ডাক। কখনোবা দূর থেকে ভেসে আসে কোনো বুনো জন্তুর হ্রেষাধ্বনি বা গর্জন। কলকোলাহলহীন পরিবেশে, নাগরিক ব্যস্ততা থেকে ছুটি নিয়ে কয়েকটা দিন প্রকৃতির এই পাঠশালায় কাটিয়ে যাওয়া সারাজীবনের সম্পদ হয়ে থাকবে।

কুলডিহা অভয়ারণ্যে পৌঁছতে গেলে আপনাকে কলকাতা থেকে সকালবেলার কোনও একটা ট্রেন ধরে বালাসোর আসতে হবে। সেখানে পৌঁছে শেয়ার বা ব্যক্তিগত গাড়ি ভাড়া করে ট্রাঙ্ক রোড ধরে বেশ কয়েক কিলোমিটার পথ এগিয়ে গিয়ে পড়বেন ৫নম্বর জাতীয় সড়কে। সেখান থেকে উত্তরগামী রাস্তা ধরে আন্দাজ দশ কিলোমিটার পর আসবে শেরগড়। শেরগড় থেকে সোজা রাস্তা গেছে নীলগিরি। নীলগিরিতেও দেখার রয়েছে। তা হল, জগন্নাথমন্দির আর রাজবাড়ী। নীলগিরি ছাড়িয়ে কিছুটা এগোলেই পড়বে সজনাগড় গ্রাম। এই গ্রামের ভুধরা চন্ডীর প্রাচীন মন্দির খুব জাগ্রত। চতুর্দশ শতাব্দীতে স্থাপিত এই মন্দিরে দেবী চন্ডী পূজিত হন। স্থানীয় মানুষদের যাবতীয় চাওয়া-পাওয়ার এই দেবী সারা বছরই পূজিত হন। নীলগিরি থেকে যাওয়ার পথে বাঁদিকের জঙ্গলাকীর্ণ পাহাড়শ্রেণী কুলডিহা রেঞ্জের অন্তর্গত আর ডানদিকের অংশটি নীলগিরি রেঞ্জ। এখান থেকে একটু এগিয়ে উড়িষ্যার আরেক জনপ্রিয় পর্যটনস্থল পঞ্চলিঙ্গেশ্বর। মূল রাস্তা থেকে বাঁদিকে আরো দশ কিলোমিটার ভিতরে যেতে হবে। বালাসোর থেকে আসতে ঘন্টা দেড়েক সময় লাগে। পঞ্চলিঙ্গেশ্বরের প্রধান আকর্ষণ হল মহাদেবের মন্দির। এখান থেকে কুলডিহাযেতে সময় লাগলো আধা ঘন্টা। কুলডিহা অভয়ারণ্যে ঢোকার প্রবেশদ্বার হলো টেন্ডা। এটি একটি আদিবাসী গ্রাম, এখানে ফরেস্ট চেকপোস্ট আছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে জনপ্রতি ৪০ টাকা, গাড়ির জন্যে ১০০টাকা এবং ক্যামেরা চার্জ বাবদ ৫০ টাকা করে দিয়ে জঙ্গলে ঢোকার ছাড়পত্র মিলল।

কুলডিহা অরণ্য অভয়ারণ্যের স্বীকৃতি পায় ১৯৮৪ সালের ৪ঠা জানুয়ারী। এই জায়গাটি বিখ্যাত হয়েছে ময়ূরভঞ্জ হাতি সংরক্ষণ কেন্দ্রের জন্য, যার বিস্তার সিমলিপাল, কুলডিহা এবং হাতিগড় অভয়ারণ্য জুড়ে। কুলডিহা অভয়ারণ্যের নিজস্ব হাতি সংরক্ষণ প্রকল্পের নাম হলো- টেন্ডা এলিফ্যান্ট রিজার্ভ। সম্প্রতি এই জঙ্গলকে সিংহ সংরক্ষণ কেন্দ্র হিসাবেও সূচিত করা হয়েছে। এই অভয়ারণ্যটি পরিবেশ, বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংক্রান্ত গবেষণার স্বর্গভূমি। তাই উদ্ভিদ, প্রাণী এবং পরিবেশ বিজ্ঞানীদের অনেক উৎকর্ষ গবেষণাপত্রের উৎসভূমি হলো এই জঙ্গলাকীর্ণ অঞ্চল। প্রকৃতি প্রেমিক বা গবেষকদের পীঠস্থান হলো কুলডিহা এবং সংলগ্ন অভয়ারণ্য। ২০১২ সালে এক ভয়ানক অগ্নিকান্ডে সিমলিপাল এবং কুলডিহা অরণ্যের উদ্ভিদ এবং প্রাণীজগত ভয়ানকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২রা আগস্ট, ২০১২ সালে দেশের সরকার এই অভয়ারণ্যকে ‘ইকোলজিক্যাল সেনসিটিভ জোন’ ঘোষণা করেন।

 

কুলডিহা ফরেস্ট রেস্ট হাউস আর ইকো-ট্যুরিজম কমপ্লেক্সটি পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে। আমরা আসার পথে সমস্ত রেশন কিনে যখন ফরেস্ট রেস্ট হাউসে পৌঁছলাম তখন বেশ বেলা হয়ে গেছে। এখানে বেশ কয়েকটা টেন্ট আর কিছু কংক্রিটের ঘর আছে। পৌঁছে দেখলাম অনেক ট্যুরিষ্ট এসেছে, সব ঘরই বুকড। আমাদের আগে থেকেই তিনটে টেন্ট বুক করা ছিল; আমরা তড়িঘড়ি নির্দিষ্ট টেন্টে ঢুকে রান্নার ব্যবস্থা করতে বেরিয়ে পড়লাম। গোটা রিসর্টে একজনই রাঁধুনি, সে সবার রান্না করছে। নতুন করে আর রান্নার দায়িত্ব নিতে রাজি হল না। অনেক বলে কয়ে, নিজেদের অসহায় অবস্থার কথা বলে, বেশি টাকা কবুল করে তাকে রাজি করালাম। ফিরে চটপট স্নান সেরে নিলাম। ফরেস্ট বাংলোর ভিতরটা প্রশস্ত, অনেক গাছপালা, ফুলের বাগানও চোখে পড়লো। এই জায়গাটিকে সাজিয়ে দৃষ্টিনন্দন করার একটা উদ্যোগ চোখে পড়ল। এখানে সবচেয়ে অবাক করা প্রাণী হলো-জায়ান্ট স্কুইরেল এবং তাদের সংখ্যাও অগুনতি। ক্যাম্পাসের ভিতরের গাছগাছালিতে তাদের ছুটোছুটি, খুনসুটি, লাফালাফি দেখতে দেখতে সুন্দর সময় কেটে গেলো। এদিকে হল এক সমস্যা। আমরা আসার কিছুক্ষণ পর একটা জিপে করে কয়েকজন ফরেস্ট অফিসার এলেন। এখন এই রেস্টহাউসের সমস্ত স্টাফ তাদের খিদমদগারিতে ব্যস্ত। এখন দুপুর পেরিয়ে বিকেল হবার উপক্রম। অথচ আমাদের খাবার ব্যবস্থা করার কাউকে পাচ্ছি না। কি আর করা! একবার মনে হল গিয়ে সরাসরি অফিসারদের চার্জ করি। এই রেস্টহাউসে আসা পর্যটকদের দেখভাল করার দায়িত্বতো তাদেরও! উল্টে তাদের নির্লজ্জ সেবা খাওয়ার মানসিকতায় গোটা লজের লোকজন না খেয়ে বসে আছে। নিজেদের অনেক কষ্টে সামলালাম। এটাই আমাদের দেশের সার্বিক চিত্র…..ক্ষমতার অপব্যবহার। সর্বত্র এই প্র্যাকটিস চলছে, এই জলাজঙ্গলে তার ব্যতিক্রম কিছু ঘটবে সেটাই বা কি করে আশা করেছিলাম!! অবশেষে অফিসারগণ অনুগ্রহ করে গাত্রোত্থান করার পর আমাদের যখন খাবার জুটলো তখন বিকেল হয়ে গেছে।

আজ আর বিশেষ কিছু করার নেই। খেয়ে দেয়ে আমরা ঠিক করলাম দিনের বাকি সময়টা কাছে পিঠেই ঘুরবো। এখানে একটি নজরমিনার আছে, যেখান থেকে অনেক সময় সল্টলিকে লবন খেতে আসা প্রাণীদের দর্শন মেলে। আমাদের কপালে যদিওবা কিছুই জুটল না।

জঙ্গলের সন্ধ্যার অন্য একটা রূপ আছে। অন্ধকার নেমে এলো, আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ আলো-আঁধারের এক চালচিত্র তৈরি করেছে। পাখিদের ঘরে ফেরার আওয়াজের সাথে সাথে জঙ্গলের নিজস্ব কিছু শব্দ আছে। এই জঙ্গলে বেশ কিছু হিংস্র শ্বাপদ আছে, যদিও তারা লোকালয়ের কাছাকাছি আসেনা। কিছুটা ভয়, কিছুটা এডভেঞ্চারের তাগিদে সন্ধ্যে হয়ে যাওয়ার পর ঘন জঙ্গলের মধ্যে গিয়ে প্রায় দুকিলোমিটার পথ হেঁটে রিসর্টে ফিরলাম।

পরের সকাল এলো পাখির ডানায় ভর করে, জঙ্গলে সকাল একটু দেরিতে হয়। অজস্র পাখির চিৎকার-চেঁচামেচিতে ঘুম ভেঙে গেল। উঠে চা-জলখাবার খেয়ে রিসর্টের নিজস্ব একটা গাড়িতে চেপে বেরিয়ে পড়লাম কলমাচাতালের উদ্দেশ্যে, আমাদের হোটেল থেকে দূরত্ব আন্দাজ ১৩ কিলোমিটার। চার কিলোমিটার যাওয়ার পর পড়লো বনদেবীর মন্দির, জঙ্গলের উপাস্য দেবী। এই মন্দিরে নিষ্ঠা সহকারে ‘সিন্দুরাদেবী’ মায়ের পূজো হয়। পরিবেশটি মনকাড়া, ঘন জঙ্গলের মধ্যে সিঁদুরশোভিত দেবীমূর্তি অতি বড় নাস্তিকের মধ্যেও ভক্তিভাব জাগ্রত করতে পারে। মন্দির দর্শন করে কিছুটা এগিয়ে ডানদিকে আরো নয় কিলোমিটার পথ পেরিয়ে পৌঁছলাম কলমাচাতাল। কলমাচাতালে জঙ্গল অনেক বেশি গহীন। পর্ণমোচী গাছপালায় শোভিত এই জায়গায় একটি ছোট নদী বয়ে চলেছে। যদিও এই মুহূর্তে নদী একদম খটখটে। তবে এখানে দেখা মিললো একপাল বন্যহরিণ আর কয়েকটি সম্বরের। জঙ্গলের মধ্যে পায়ে হেঁটে বুনোফুল, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি আর গাছপালার ফিসফিসানি শুনতে শুনতে অনেকটা পথ হেঁটে এলাম।

সকালে স্নান সেরে বেরিয়েছিলাম। তাই ফিরে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে নিলাম। আজ কোনো সমস্যা হলোনা। খুব যত্ন নিয়ে এখানকার স্টাফেরা খাবার পরিবেশন করলেন। আমরা সকালে বেরোনোর আগে রান্নার জিনিসপত্র দিয়ে গিয়েছিলাম। এখন ফরমাস মতো খাবার পেয়ে সবাই খুব খুশি, তাছাড়া রান্নাও হয়েছে চমৎকার।

খেয়ে একটু রেস্ট করে বিকেলের জন্যে নির্দিষ্ট জায়গায় আবার ওই একই গাড়িতে বেরোলাম। এখন আমরা যাবো এখান থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে রিসিয়া ড্যাম। এখানেও বনদপ্তরের একটা রেস্ট হাউস আছে। যাওয়ার পথে  দেখে নিলাম কুলডিহার বিখ্যাত ‘সল্টলিক’; চল্লিশ ফুট লম্বা এবং কুড়ি ফুট চওড়া। জঙ্গলের জানোয়ার খাবার পর শরীরে প্রয়োজনীয় লবণের যোগান দিতে এই সল্টলিকে আসে। ফলতঃ যেকোনো জঙ্গলে বিভিন্ন জায়গায় কৃত্রিমভাবে এই সল্টলিক তৈরি করা হয়। তবে প্রাকৃতিক ভাবে কিছু পাথর পাওয়া যায় যেগুলো লবনাক্ত। সেগুলোও জন্তুজানোয়াররা এই প্রয়োজনে ব্যবহার করে। অন্যথায় জঙ্গল কর্তৃপক্ষ এই লবণের যোগান দেয়। রিসিয়া ড্যামে যখন পৌঁছলাম তখনও সূর্য অস্ত যেতে দেরি। শুনে এসেছি আকাশ আর পাহাড়ের দিগন্ত ছোয়াঁ এই নদীবক্ষ থেকে অপূর্ব সূর্যাস্ত দেখা যায়। এখানে আমাদের গাইড সন্ধ্যার প্রাক্কালে নদীর বুকে অনেক প্রজাতির পাখি দেখালো- পানকৌড়ি, কোঁচবক, সরাল, শঙ্খচিল, কাদাখোঁচা আর অনেকগুলো প্রজাতির মাছরাঙা। এত ভিন্ন প্রজাতির মাছরাঙা পরবর্তীতে সুন্দরবন ছাড়া আর কোথাও দেখিনি। সূর্যাস্তের দেরি দেখে আমরা কিছুটা এগিয়ে গেলাম গুহিরাবল ওয়াচটাওয়ার। ওয়াচটাওয়ারের ওপর থেকে সমগ্র অভয়ারণ্যের একটা সার্বিক আন্দাজ পাওয়া যায়। কয়েকটা বুনো শুয়োর আর একটা খেঁকশিয়াল দেখেই মনকে সান্ত্বনা দিতে হলো। ওখান থেকে চটজলদি ফিরে ড্যামের বুকে অপূর্ব সূর্যাস্ত দেখলাম। সূর্যাস্ত দেখে ফেরার পথে একটা আদিবাসী গ্রামে সাময়িক দাঁড়ালাম। একটা ছোট চায়ের দোকানে লেড়োবিস্কিট আর লিকার চা খেয়ে কুলডিহা ভ্রমণ শেষ করলাম।

(চলবে..)

Mailing List