বর্তমান ও বহিরাগত ছাত্র দ্বন্দ্বে রণক্ষেত্র কেশপুর কলেজ, রক্ত ঝরলো ছাত্রদের, ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী

বর্তমান ও বহিরাগত ছাত্র দ্বন্দ্বে রণক্ষেত্র কেশপুর কলেজ, রক্ত ঝরলো ছাত্রদের, ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী
01 Nov 2022, 05:45 PM

বর্তমান ও বহিরাগত ছাত্র দ্বন্দ্বে রণক্ষেত্র কেশপুর কলেজ, রক্ত ঝরলো ছাত্রদের, ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী

 

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন: কারা থাকবে কলেজের দায়িত্বে বর্তমান ছাত্ররা, নাকি বহিরাগত ছাত্র। তা নিয়ে দ্বন্দ্বটা চলছিল বহুদিন ধরেই। মঙ্গলবার কলেজ খোলার দিনেই সেই দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে উঠলো কেশপুর সুকুমার সেনগুপ্ত মহাবিদ্যালয়। বর্তমান ও বহিরাগতদের মারামারিতে রক্ত ঝরলো বর্তমান ছাত্রদের। ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে বলে কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার পর বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়েছে ঘটনাস্থলে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। তবে বহিরাগতদের কলেজে ঢুকতে দেওয়া যাবে না, এই দাবিতে কলেজের অধ্যক্ষকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেছেন বর্তমান ছাত্ররা।

কিন্তু হঠাৎ কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল? সূত্রের খবর, এদিন কলেজ খোলার পর সাধারণভাবেই ক্লাস চলছিল। কিন্তু হঠাৎ দেখা যায় কয়েকজন বহিরাগত কলেজে ঢুকেছে। তখন বর্তমান ছাত্ররা তার প্রতিবাদ জানান। কলেজের অধ্যক্ষের গিয়ে দাবি জানান, বহিরাগতদের বের করে দিতে হবে। সেই খবর পৌঁছে যায় অন্যান্য বহিরাগত ছাত্রদের কানে। অভিযোগ, তখনই আরও বেশ কয়েকজন বহিরাগত ছাত্র বাঁশ, লাঠি নিয়ে কলেজে ঢোকে। প্রতিবাদী বর্তমান ছাত্রদের ওপর চড়াও হয়। শুরু হয় মারামারি। ভাঙচুর। তখন বর্তমান ছাত্ররাও প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। কলেজ তখন রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।

সূত্রের খবর, সম্প্রতি ২৮ অক্টোবর কলেজ পরিচালন সমিতির বৈঠকও হয়েছিল। তাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বহিরাগতদের কলেজে ঢুকে কোনও রকম দাদাগিরি চলবে না। অভিযোগ, এতদিন বহিরাগত ছাত্ররাই কলেজের যাবতীয় অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নিত। তা সে সরস্বতী পুজো হোক বা কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধূলো। তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছিল, বর্তমান ছাত্রছাত্রীরা থাকতে কেন বহিরাগতরা এই সব কাজ করবে। কলেজ পরিচালন সমিতির সিদ্ধান্তের পরেও বহিরাগতরা কলেজে ঢোকায় শুরু হয় বিপত্তি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।  

Mailing List