রাজস্থানে গেহলট শিবিরে ভাঙন, হাইকমান্ড ভজনায় বিধায়কদের একাংশ

27 Sep 2022, 11:15 PM

রাজস্থানে গেহলট শিবিরে ভাঙন, হাইকমান্ড ভজনায় বিধায়কদের একাংশ

 

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন: কয়েকদিন চলার পর মরুশহর রাজস্থানে কংগ্রেসের নাটক এবার কি তবে শেষ অঙ্কে চলে এল? মঙ্গলবার রাতের সেরকমই ইঙ্গিত মিলল জয়পুর থেকে। রবিবার গেহলটের সমর্থনে ৯০ জন কংগ্রেস বিধায়ক স্পিকারের কাছে তাঁদের ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে তাঁরা শচিন পাইলটকে মানবেন না, এটাই ছিল তাঁদের দাবি। নিজেদের দাবিতে এককাট্টা ছিলেন তাঁরা। এর মধ্যে মঙ্গলবার দেখা গেল গেহলট শিবিরে ভাঙন। বিধায়কদের একাংশ উল্টো সুর গাইতে শুরু করেছেন বলেই খবর।

জয়পুরের খবর, বিধায়কদের একাংশ বলছেন আমরা হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনে চলতে বাধ্য। তবে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন সেদিকে আমাদের নজর রয়েছে। গেহলট শিবির ছেড়ে আসা বিধায়কদের দাবি, পরিষদীয় মন্ত্রী শান্তি ধারিওয়াল ও দলের চিফ হুইপ মহেশ যোশীই তাঁদের বিপথে চালিয়েছেন।  হাইকমান্ডের নির্দেশ অমান্য করে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁদের ছিল না বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।এক কংগ্রেস বিধায়ক দিব্যা মাদারনা জানিয়েছেন, আমি কংগ্রেসের সৈনিক। আমি কোনও শিবিরে নেই। ধারিওয়াল আর মহেশ যোশী গোটা ঘটনার নাটের গুরু বলেও অভিযোগ করেন তিনি। উল্টোদিকে ধারিওয়াল ও যোশী অবশ্য এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তাঁদের মতে, সেদিন বিধায়করা স্বেচ্ছায় ওই মিটিংয়ে এসেছিলেন। আমরা হাইকমান্ডের বিরুদ্ধে কোনও বিদ্রোহ করিনি। শুধু হাইকমান্ডকে বোঝাতে চেয়েছিলাম যাঁরা ২০২০ সালে যারা দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল তাদের নেতাকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসানো ঠিক হবে না। এছাড়া অনেক বিধায়কই এর মধ্যে হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনে চলার কথা ঘোষণা করেছেন। বিদ্রোহী মহেশ যোশী জানিয়েছেন, নেতৃত্ব যা সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই হবে। কেউ যদি দলের প্রতি আমাদের আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তোলে তবে আমরা তার প্রমাণও দেবো। সব মিলিয়ে গেহলট শিবিরের বিদ্রোহ যে মোটামুটি শেষ হতে চলেছে মঙ্গলবারের সন্ধ্যাতেই তা পরিষ্কার। অন্যদিকে গেহলটের সভাপতি হওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সুত্রের খবর, খোদ সনিয়া গান্ধি একটা সময় গেহলটের পক্ষে থাকলেও জয়পুর কাণ্ডের পর তিনিও নাকি বিরক্ত বর্ষীয়ান নেতার ওপর।

Mailing List