বাঁদনা পরব ও দীপাবলির প্রাক্কালে পুরুলিয়ার হেসাডি গ্রামে শতাধিক ছোটো বাচ্চাদের জন্য নতুন বস্ত্র উপহার

বাঁদনা পরব ও দীপাবলির প্রাক্কালে পুরুলিয়ার হেসাডি গ্রামে শতাধিক ছোটো বাচ্চাদের জন্য নতুন বস্ত্র উপহার
23 Oct 2022, 07:09 PM

বাঁদনা পরব ও দীপাবলির প্রাক্কালে পুরুলিয়ার হেসাডি গ্রামে শতাধিক ছোটো বাচ্চাদের জন্য নতুন বস্ত্র উপহার

 

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন: পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডির হেসাডি গ্রামে সামাজিক উন্নয়নের যে পরিকাঠামো গড়ে তুলছে ভূমিতীর্থ ফাউণ্ডেশন, তারই অঙ্গ হিসাবে এলাকার ছোট ছোট বাচ্চাদের জন্য একটি বস্ত্রবিতরণ কর্মসূচির পরিকল্পনা করেন আশিস মাহাত, অশোক মাহাত, পঞ্চানন মাহাত সহ ফাউণ্ডেশনের সদস্যরা৷ সিদ্ধান্ত হয়, এলাকার জনপ্রিয় উৎসব বাঁদনা পরব ও দীপাবলির প্রাক্কালে তাদের নতুন বস্ত্র উপহার দেওয়া হবে৷ কর্মসূচি রূপায়ণের জন্য সমীক্ষা করে দেখা যায় এই গ্রামে ১৩০ জন বাচ্চা রয়েছে। যাদের বয়স ৫-১২ বছরের মধ্যে৷ তাদের নাম ও বয়স লিপিবদ্ধ করার পর শুরু হয় তৎপরতা৷ সমাজমাধ্যমে কর্মসূচি ঘোষণার সাথে সাথে বেশ কয়েকজন শুভানুধ্যায়ী অর্থসাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন৷ পরিকল্পনা অনুযায়ী উপহার সামগ্রী কিনে পৌঁছে যায় হেসাডিতে৷ ২৩ অক্টোবর স্থানীয় মানুষজনের উপস্থিতিতে সেই সমস্ত বাচ্চাদের হাতে নতুন জামা ছাড়াও তুলে দেওয়া হয় খাতা, রং পেন্সিল ও জলের বোতল৷ ছিল আদিবাসী নৃত্যের আয়োজনও। যার মাধ্যমে সমগ্র কর্মসূচি রঙিন ও সুন্দর হয়ে ওঠে৷

এছাড়াও পলাশতীর্থ এগ্রি ফার্ম অ্যাণ্ড হসপিটালিটির তরফে তাদের প্রত্যেককে ক্রিমরোল-কেক-চকোলেটসহ একটি করে টিফিন প্যাকেট উপহার হিসাবে দেওয়া হয়৷ নিউক্র্যাড এগ্রি ফার্ম, ভূমিতীর্থ ফাউণ্ডেশন ও স্থানীয় জমির মালিকদের নিয়ে গড়ে উঠছে পলাশতীর্থ এগ্রি ফার্ম অ্যাণ্ড হসপিটালিটি। 

পলাশতীর্থের অবস্থান অযোধ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হেসাডি গ্রামে, বড়রাস্তার উপরেই৷ পলাশতীর্থের দুই দিক দিয়ে বয়ে গেছে সাহারজুড়ি নদী৷ দেড় কিমি দূরেই রয়েছে ছলছলিয়া জলপ্রপাত৷ এছাড়াও, মার্বেলহ্রদ-বামনি প্রপাত- তুর্গা প্রপাত, আপার ও লোয়ার ড্যাম এবং চড়িদা মুখোশগ্রাম পলাশতীর্থ থেকে ১০-১৫ কিমির মধ্যে৷ মুরুগুমা জলাধার ও খয়রাবেড়িয়া জলাধারও অনেক কাছে, পলাশতীর্থের রাস্তা দিয়েই যেতে হয়। ফলে, কী শীত, কী গ্রীষ্ম, কী বর্ষা .....সব ঋতুতেই পলাশতীর্থকে ভ্রমণার্থীদের উপযোগী করে তোলার কাজ নতুনভাবে শুরু হবে বলেও জানান উদ্যোক্তারা৷ পলাশতীর্থের অন্যতম কান্ডারী বিজ্ঞানী বিশ্বরূপ ঘোষ জানান, অর্গানিক চাষের পাশাপাশি পশুপালন, পোল্ট্রি ফার্মিং – সব কিছুই করা হবে। সরকারি সাহায্য মিললে গড়ে তোলা হলে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পও।

Mailing List