তপন বিধানসভায় পাঁচ বছরেও সংস্কার হয়নি চার কিলোমিটার রাস্তা, বর্ষায় খন্দপথে চোখের জল ফেলে চলতে হয় ৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে

তপন বিধানসভায় পাঁচ বছরেও সংস্কার হয়নি চার কিলোমিটার রাস্তা, বর্ষায় খন্দপথে চোখের জল ফেলে চলতে হয় ৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে
23 Jun 2022, 02:00 PM

তপন বিধানসভায় পাঁচ বছরেও সংস্কার হয়নি চার কিলোমিটার রাস্তা, বর্ষায় খন্দপথে চোখের জল ফেলে চলতে হয় ৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে

 

বাবলা বল, বালুরঘাট

 

জেলা সদর বালুরঘাট থেকে খুব বেশি দূরে নয়। তবু অবহেলার শিকার। অভিযোগ, ভোট যায় ভোট আসে। মেলে শুধু আশ্বাস। কিন্তু কাজ হয় না। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই যন্ত্রণার পথ চলা। কাদা ভেঙে চলতে গিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। আবার কাদা এড়িয়ে চলাও মুস্কিল।  

 

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ব্লকের তপন বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ৪ নম্বর বোয়ালদার গ্রাম পঞ্চায়েতের ধরমপুর সংলগ্ন রহতুল থেকে কয়রাকল শ্মশান পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা এমনই। অথচ এই রাস্তার ওপর দিয়েই খোরকাডাঙ, কয়রাকল, রহতুল, রাজুয়া, বড়মপুর, ভাটরা গ্রামের প্রায় ২০-২৫ হাজার মানুষের যাতায়াত। কারণ, এটিই এলাকার মানুষের অন্যতম প্রধান রাস্তা। অথচ, রাস্তাটি পাকা হওয়ার দূরের কথা, এখনও জল কাদায় মাখামাখি।

গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন,  প্রায় বছর দশেক আগে রাস্তাটি চলাচলের যোগ্য করার জন্য ইট ফেলা হয়েছিল। তারপর থেকে আর সংস্কার হয়নি। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ৫ বছরেরও বেশী সময় ধরে রাস্তা নির্মাণের আর্জি স্থানীয় পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ, থেকে বিডিও – সর্বত্রই বারবার আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

রহতুল গ্রামের বাসিন্দা জোৎস্না বর্মন বলে,ন জরুরী প্রয়োজনে এই রাস্তা দিয়ে রোগীকেও নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত যায় না। সীতেশ বর্মন বলেন, বর্ষাকালে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে চোখের জল ফেলতে হয়। এক হাঁটু কাদা যে। সাইকেল ঘাড়ে তুলে, হাতে জুতো নিয়ে চলা। বয়স্ক মানুষ হলে কী কষ্ট বলুন।  শচীন বর্মন বলেন, পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ, বিডিও অফিসে আবেদন জানিয়েও কাজ হয়নি। এবার তাই বাধ্য হয়ে আমরা রাস্তাটি নির্মাণের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানানোর কথা ভেবেছি।

রাস্তাটির বেহাল দশার কথা অবশ্য স্বীকার করে নিয়েছেন বালুরঘাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কল্পনা কিস্কুও। তিনি বলেন, রাস্তাটির খারাপ অবস্থার কথা জানা। সত্যিই এলাকার মানুষের সমস্যা হয়। শুধু আমি নই, বিডিও নিজেও পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। আমরা একাধিক প্রকল্পে ওই রাস্তাটি ধরেছি। টাকা পেলেই কাজ শুরু করে দেব।

ads

Mailing List