আলু চাষের মরশুমে সারের সঙ্কট পূর্ব বর্ধমানে, চিন্তায় চাষিরা

আলু চাষের মরশুমে সারের সঙ্কট পূর্ব বর্ধমানে, চিন্তায় চাষিরা
07 Nov 2022, 07:55 PM

আলু চাষের মরশুমে সারের সঙ্কট পূর্ব বর্ধমানে, চিন্তায় চাষিরা

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন: আমন ধান ওঠা শুরু করলেই জ্যোতি আলুর চাষের জমি তৈরি শুরু হবে পূর্ব বর্ধমানে। 'জলদি' বা পোখরাজ জাতের আলু চাষের জন্যে জমি তৈরি করছেন চাষিরা। জমি তৈরিতে প্রয়োজন 'সুষম' সারের। সে কারণে নাইট্রোজেন, পটাশ ও ফসফেট সারের সংমিশ্রণে তৈরি (১০:২৬:২৬) সারের খোঁজে দোকানে যাচ্ছেন চাষিরা। সব চাষিই '১০:২৬:২৬' সার চাওয়ায়, ঘাটতি প্রকট হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, গত বছর থেকেই ওই সারের সঙ্কট চলছে। এ বছর জেলায় ওই সারের বিশেষ জোগান আসেনি এখনও। বিভিন্ন সার প্রস্তুতকারী সংস্থার দাবি, ১০:২৬:২৬ সারের ৫০ কেজির বস্তার সরকার নির্ধারিত দাম ১৪৭০ টাকা। কিন্তু বেড়েছে উত্‍পাদন খরচ। আন্তর্জাতিক বাজারে ফসফেটের দাম বাড়ছে। ফলে, বাজারে তৈরি হয়েছে 'সঙ্কট'।

জেলার অন্যতম সহ-কৃষি আধিকারিক সুকান্ত মুখোপাধ্যায় বলেন, ''বেশির ভাগ চাষি দীর্ঘদিন ধরে বেশি মাত্রায় ১০:২৬:২৬ সার প্রয়োগ করে আসছেন রবি মরসুমে। এই সার ছাড়াও, কোন কোন সার গাছের খাদ্য হিসেবে কত মাত্রায় দিতে হয়, তা আমরা চাষিদের মধ্যে প্রচার করছি লিফলেটের মাধ্যমে।'' তাঁর আরও দাবি, জেলায় রবি চাষের জন্য প্রয়োজনীয় সার যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে। শীঘ্র জেলায় আরও সার আসবে।

কালনা-সহ বেশ কিছু এলাকার চাষিদের একাংশের দাবি, বহু ডিলার এই সুযোগে বেশি দামে ১০:২৬:২৬ সার বিক্রি করছেন। অনেকে ওই সার বিক্রির শর্ত হিসেবে অনুখাদ্য নিতে বাধ্য করছেন। যদিও রবি মরসুমে সার কোথায় কী ভাবে বিক্রি হচ্ছে, সে নজরদারিও চলছে বলে জানান কালনার সহ-কৃষি আধিকারিক পার্থ ঘোষ।

Mailing List