পুলিশের কনস্টেবল পরীক্ষায় ভূয়ো পরীক্ষার্থীর পর উত্তর পত্র সরবরাহ করার অভিযোগ, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে উত্তর সরবরাহের দায়ে ধৃত পরীক্ষার্থী

পুলিশের কনস্টেবল পরীক্ষায় ভূয়ো পরীক্ষার্থীর পর উত্তর পত্র সরবরাহ করার অভিযোগ, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে উত্তর সরবরাহের দায়ে ধৃত পরীক্ষার্থী
23 May 2022, 08:00 PM

পুলিশের কনস্টেবল পরীক্ষায় ভূয়ো পরীক্ষার্থীর পর উত্তর পত্র সরবরাহ করার অভিযোগ, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে উত্তর সরবরাহের দায়ে ধৃত পরীক্ষার্থী

 

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন, বারাসাত: আবারও পুলিশের সাফল্য। রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পরীক্ষায় উত্তর পত্র সরবরাহ করার অভিযোগে এক পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করলো দত্তপুকুর থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত পরীক্ষার্থীর নাম রাকেশ হালদার। তার বাড়ি বনগাঁর কেউটে পাড়ায়। সোমবার অভিযুক্তকে বারাসাত আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে নির্দেশ দেন।

 

পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, রবিবার রাজ্য পুলিশের মহিলা ও পুরুষ কনস্টেবল পরীক্ষায় বিভিন্ন জায়গায় থেকে পরীক্ষার্থীর বিভিন্ন স্কুলে পরীক্ষা দিতে আসে। সেইমত বনগাঁর কেউটে পাড়া থেকে দত্তপুকুর থানার ছোট জাগুলিয়া হাই সেকেন্ডারি স্কুলে পরীক্ষা দিতে আসে রাকেশ হালদার। বারোটা থেকে একটা পর্যন্ত পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষে দেড়টা নাগাদ সমস্ত পরীক্ষার্থী বেরিয়ে এলে গেটের মুখে একটা জটলা দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। খোঁজখবর নিতেই দেখা যায় অভিযুক্তর মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সাথে অনেক পরীক্ষার্থীর মোবাইলে যোগাযোগ আছে।

পুলিশের দাবি, অভিযুক্তর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে সবাইকে উত্তর পত্র শেয়ার করেছে। অর্থাৎ কলেস্টেবল পরীক্ষার  উত্তরগুলো অন্যান্যদের সরবরাহ করেছে। মোবাইল সমেত তাকে ঘটনা স্থল থেকে আটক করা হয়। তাকে জেরা করে পুলিশ জানতে পারে সে পরীক্ষার উত্তর হোয়াটসঅ্যাপ এর মাধ্যমে অন্যদের দিয়েছে। এর পরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির  ৪২০/৪৬৮ ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। অভিযুক্তর পক্ষের আইনজীবী অরুণ কুমার দেবনাথ দাবি করেন, পুলিশ শুধুমাত্র অভিযুক্তর মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছে। অন্যদের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেনি। এর থেকে কি প্রমান করতে চাইছে পুলিশ? এর থেকে প্রমান করা যায় না রাকেশ হালদার উত্তর পত্র সরবরাহ করেছে।

 

তবে বিষয়টি সামনে আসায় রাজ্য পুলিশের কনস্টেবলপরীক্ষা নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। তবে দুর্নীতি দমনের লক্ষ্যে পুলিশের এই সদর্থক ভূমিকায় খুশি সাধারণ মানুষ।

উল্লেখ্য, এটাই নয়। পুলিশের এই কনস্টেবল পরীক্ষা নিয়ে আরও অঘটন ঘটেছে কলকাতার বিভিন্ন কেন্দ্রে। একের পরিবর্তে অন্যজন পরীক্ষা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভূয়ো পরীক্ষার্থী অভিযোগে পুলিশ প্রায় ৩০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। এবার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য গ্রেফতার করা হল।

ads

Mailing List