বিয়াস আর মাম্মাম …/ গল্প

বিয়াস আর মাম্মাম …/ গল্প
27 Mar 2022, 11:15 AM

বিয়াস আর মাম্মাম …

 

সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায়

 

সাত সমুদ্র তেরো নদীর পারের এক দূর দেশে একটা সকাল হল। সূর্যিমামার ঘুম ভাঙা চোখের আলোয় নীল আকাশ ঝলমলে। ছোটো-ছোটো সাদা মেঘেরা দল বেঁধে হালকা ছন্দে ভাসতে ভাসতে মর্নিংওয়াকে বেরিয়েছে। অল্প-অল্প ঠান্ডা হাওয়ায় ব্যাকইয়ার্ডের গাছেদের বাদামি ডালে লাল, কমলা, হলুদ, বাদামি এবং সবুজ পাতারা মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে নামতা পড়ছে।

-নামতা কী মাম্মাম?

-তোমরা যাকে বল মাল্টিপ্লিকেশন টেবল্, আমাদের ছোটোবেলায় সকালে উঠে স্কুলে যাওয়ার আগে হোমওয়ার্কের সাথে ওই টেবল্ আমরা দুলে-দুলে মুখস্ত মানে মেমোরাইজ করতাম।

-পাতারাও বুঝি মাল্টিপ্লিকেশন করে ?

-করে না! যোগ, বিয়োগ, মাল্টিপ্লিকেশন, ডিভিশন সবই করে, জান না বুঝি! সামার শেষ হচ্ছে, দিন ছোটো হচ্ছে, রাত বড় হচ্ছে, এসব বুঝতে হবে না! মা গাছ ওদের সব শেখায় , শীত আসছে তার আগে পাতাদের রংবদল করতে হবে! মাটির যাতে ঠান্ডা না লাগে তাই ঝরাপাতার কম্বল বিছাতে হবে।

-এটা কি পাতাদের রং মেখে দোল খেলার সময়?

-ঠিক বলেছ! সে এক ভারি মজার সময় জান তো! খুব কাজের সময়, একটু সময়ও হেলেদুলে বেখেয়ালে, বেতালে নষ্ট করা যাবে না তখন। দিনক্ষণ গুনে গেঁথে শীতবরফের জন্য তৈরি হতে হবে।

-দেখো দেখো মাম্মাম, ছোটোছোটো কচি সূচের মতো চিরসবুজ পাইন পাতারা কেমন হুটোপুটি করছে!

-কেন বলত! বাতাসের ঝাপটায় একটুকুও জমানো জলও যাতে নষ্ট না হয় তার জন্য হুড়োহুড়ি করে পাতার কোষে-কোষে জানলা দরজা সব বন্ধ করছে।

-মাম্মাম, দেখো দেখো, পাইনতলায় কারা এসেছে ?

-ওমা চেনো না বুঝি! ওই যে লাল কাঠবেড়ালিটা যার লেজটা কাটা, সে হল দুষ্টু নাটকিন আর পাশে

ওর ভাই টুইঙ্কলবেরি! আর ওই যে আমাদের নতুন সাইপ্রাস গাছের তলায় দেখো ওদের পিসতুতো, মাসতুতো, খুড়তুতো, জ্যাঠতুতো সব ভাই বোনেরা।

-নাটকিন বুঝি খুব দুষ্টু?

-খুব দুষ্টু আর আলসে। একটুও কাজে মন নেই। সবসময় দুষ্টুমি! আর এই দুষ্টুমির জন্যেই তো ওর লেজটা

কাটা পড়েছে।

-ওমা তাই! গল্পটা বল না মাম্মাম!

-সে এক মজার গল্প … হেলেন বিয়েট্রিক্স পটার The Tale of squirrel Nutkin নামে একটা বইয়ে ওর লেজের গল্পটা লিখে গেছেন জানো!  ওই যে দূরে লেকটা দেখছ, ওই লেকের ধারে ওদের বাড়ি, লেকের মাঝখানে একটি দ্বীপ রয়েছে। তার নাম আউল আইল্যান্ড। সেখানে হেজেলনাট বাদামের ঝোপে অনেক বাদাম ধরে। এক শীতের শুরুতে মানে পাতা ঝরার কালে যখন বাদামগুলো পাকছিল নাটকিন এবং টুইঙ্কলবেরি আর ওদের গ্রামের সমস্ত ছোটোছোট কাঠবিড়ালি মিলে ডালপালা দিয়ে ছোটোছোটো  ভেলা তৈরি করেছিল আর লেজ ফুলিয়ে, লেজের পাল তুলে জলের উপর দিয়ে প্যাডেল করে আউল আইল্যান্ডে গিয়েছিল বাদাম কুড়োতে। কিন্তু ওই দ্বীপের একটি ফাঁপা ওক-গাছের ফোঁকরে থাকত একটা পেঁচা। ওর নাম ওল্ড ব্রাউন। ওর পারমিশন ছাড়া কেউ বাদাম কুড়োতে পারত না। সব কাঠবেড়ালি যখন উপহার দিয়ে ওল্ড ব্রাউনকে খুশি করে, বস্তা ভরে বাদাম কুড়োচ্ছে, নাটকিন তখন ওল্ড ব্রাউনের নামে ছড়া কাটছে আর ওকে বিরক্ত করছে। রোজ

সকালে ওরা বাদাম কুড়োতে যেত আর নাটকিন ওল্ড ব্রাউনকে জ্বালাত তাই একদিন ওল্ড ব্রাউন রেগে গিয়ে ওকে ধরে শাস্তি দিতে চাইল, সেই সময় ওর হাত থেকে পালাতে গিয়ে নাটকিনের লেজ ভেঙে গেল।

 

প্রতিদিন সূর্য চোখ খুললেই বিয়াসেরও ঘুম ভাঙে। ওর ঘরটার পূবদিকে দেয়াল জোড়া একটা কাঁচের জানলা, কোনো পর্দা নেই। সেই জানলায়, তার তলাটা চওড়া বেঞ্চের মতো। ওর মাম্মাম ওখানে একটা গদি পেতে দিয়েছে আর অনেক ছোটোছটো কুশন। রোজ সকালে বিয়াস ওর টয় পুডুল পোস্তর সাথে বসে ওখানে। আর ঘুম ভাঙা চোখে জানলা দিয়ে সূর্যের আলোয় ওর ব্যাকইয়ার্ডের ছটফটে রেড রবিন লালু, গোল্ডফিঞ্চ গোল্ডি, চিপমঙ্ক চিপু’র ভোরের কোলাহল শুনতে ভালবাসে। প্রতিদিন নতুন-নতুন বন্ধু হয় বিয়াসের আজ যেমন ব্রেকফাস্ট করতে-করতে মাম্মাম ওকে নাটকিন আর টুইঙ্কিলবেরির সাথে আলাপ করাল।

দুপুরে আসে ফ্লপ্সি, মপ্সি, কটনটেল আর পিটার নরমসরম সাদা, বাদামি,গোলুমোলু চার খরগোশ ভাই। বিয়াসদের ব্যাকইয়ার্ড পেরিয়ে ওই যে দূরের জঙ্গল ওখানে বড় ফারগাছের নিচে গর্তে ওদের বাড়ি। ফ্রন্ট ইয়ার্ডে টেরাকোটা রঙ করা, নকশাকাটা টবে আর মাটিতে নানা ধরনের পেরিনিয়াল ফুলের গাছ বসিয়েছে মাম্মাম। মাঝে-মাঝে পাথরের পরি, ছোট্টো ফোয়ারা, নানা ধরনের পশুপাখির মূর্তি সাজানো, সেগুলোর চারপাশে ছোট্টো ফেন্সও আছে।  তবুও খরগোশেরা টিউলিপ, লিলির বাল্ব খেয়ে যায়। তাই মাম্মাম ওদের একদম পছন্দ করে না। বিয়াসকেও পইপই করে বলে রেখেছে ওদের এন্টারটেন করবে না। বিশেষ করে পিটারকে। বিয়াস জানে পিটার কত দুষ্টু! 

মাম্মাম গল্প শুনিয়েছে আর বলেছে বিয়েট্রিক্স পটার দুষ্টু পিটারের গল্পও লিখে গেছেন…

সেই যে সেদিন, ওর মা ব্রেড কিনতে বেকারিতে যাওয়ার আগে পইপই করে বারণ করেছিল তবু পিটার মায়ের নিষেধ অমান্য করে চলে গেছিল গেটের তলা দিয়ে একেবারে মিষ্টার ম্যাকগিয়রের বাগানে। আদেখলার মত প্রথমে লেটুস, তারপর ফ্রেঞ্চবিনস্ তারপর মূলো খেয়ে সেকি পেট ব্যথা ওর! তারপর ভাবল পার্সলে খেলে পেটব্যথা কমতে পারে। তাই তখন শশার ক্ষেতের পাশ দিয়ে পার্সলে ক্ষেতে গেল। সে কী কান্ড তারপর! যেতে গিয়ে একেবারে মুখোমুখি মিস্টার ম্যাকগিয়রের।

মনে পড়ল মা বলেছিল--- বাবাও ঢুকেছিল এই বাগানে। তারপর বাবাকে পাওয়া গেছিলো মিসেস ম্যাকগিয়রের পাই এর ভেতর। কেঁপে ওঠে পিটার দৌড়ল খেতের একোনা-ওকোনা। সেকি ছুটোছুটি, পিটার সামনে, পেছনে মিস্টার ম্যাকগিয়র হাতে ইয়া বড় কাঁটাওয়ালা রেক! জ্যাকেট, জুতো সব খুইয়ে সেবার কোনোমতে বেঁচে ফিরেছিল পিটার।

 

আজকাল যদিও কেউ স্কুল, অফিসে যায় না। তবুও দুপুরে মাম্মাম অফিসের জুমমিটিংয়ে ব্যস্ত থাকলেই বিয়াস চুপিসাড়ে কাচের ফ্রেঞ্চডোরটা আলতো হাতে ঠেলে খুলে সোজা পেছনের কাঠের ডেকবারান্দায়। ঠিক দুপুরে চিপু, গোল্ডি, লালুদের সাথে আসে পিটার আর ওর ভাইরা। বিয়াস ওদের লুকিয়ে-লুকিয়ে মাম্মামের ফ্রিজের থেকে গাজর, লেটুস খাওয়ায়। বিয়াস জানে, ওরা এখন শীতের জন্য খাওয়ার জোগাড় করছে। তাই মিক্সড নাটের প্যাকেট থেকে নানাধরনের বাদাম ছড়িয়ে রাখে ওদের জন্য। কাঠবেড়ালি,খরগোশ, চিপমঙ্কেরা সেই বাদাম, একর্ন, হেজেলনাট, পাইনকোণ খুঁজে নিয়ে লুকিয়ে রাখে মাটির তলার গর্তে। বরফে যখন সব ঢেকে যায়, বেড়োনো যায় না, তখন ওরা সেই জমিয়ে রাখা খাবার খায়।

 

-হংক… হংক… হংক… একটা আওয়াজে আজ বিয়াসের চোখ খুলল।

-মাম্মাম ওঠো দেখো আজ কে এসেছে!

মাম্মাম উঠে দেখল, সেই বুড়ো গুজ, গায়ে সাদা পালকের মোটা কোট, পায়ে কমলা রঙের বুট, সোনার শিঙার মতো ঠোঁটে উত্তর থেকে দক্ষিণের দিকে উড়ে যাওয়ার আগে ওদের বাই বলতে এসেছে।

হংক, হংক, হংক!

ওর এই সংকেতডাক শুনে তৃণভূমি এবং জলাভূমি থেকে উঠে এল ওর বন্ধুরা, বুড়ো গুজ উড়ে গেল আর বাকি ফ্লক তাকে ফলো করে উড়ে গেল দক্ষিণের দিকে …

-মাম্মাম ওরা কোথায় যাচ্ছে?

-ওরা ঠান্ডা ভালবাসে না তাই দক্ষিণের দিকে মাইগ্রেট করছে। ওখানে তেমন শীত নেই তো তাই। শীত কাটলে আবার ফিরে আসবে নিজের বাসায়।

 

আজ শনিবার। স্কুল ছুটি। গুজেরা চলে গেলে বিয়াস আবার ঢুকে পরল কম্ফোরটারের ওমে। মাম্মাম চলল ব্রেকফাস্ট বানাতে। লেপের তলায় গুটিশুটি মেরে শুয়ে বিয়াসের মনে হল--- ও যদি ভাল্লুক, গ্রাউন্ডহগ,সাপ, স্কাঙ্কস, উডচাক আর কাঠবিড়ালির মতো হাইবারনেট করতে পারত তাহলে কী মজাই না হত। খাওয়া নেই, নাওয়া নেই, পড়াশোনা নেই। শীত জুড়ে শুধু ঘুম আর ঘুম।

-উঠে পর বিয়াস। ব্রেকফাস্ট রেডি। তোমার পাখি বন্ধুরা, চিপু জানলার পাশে অপেক্ষা করছে তোমার সাথে ব্রেকফাস্ট করবে।

মাম্মাম বিয়াসকে উঠিয়ে বসিয়ে দিলেন হুইলচেয়ারে বিয়াস চেয়ার ঠেলে চলল ওয়াসরুমের দিকে।

মাম্মাম বার্ড ফিডারটায় খাবার ভরল, পাখিদের স্নানের গামলায় জল ঢালল। জানলার বাইরের দিকে পাউরুটির টুকরো ছড়িয়ে দিল।

তারপর বিয়াস ফিরে এলে দুজনে ব্রেকফাস্ট করতে বসল জানলার তাকে।

-মাম্মাম গল্প বল।

-গোল্ডিলকস আর তিনটে বাদামি ভাল্লুকের গল্পটা মনে আছে তোমার?

-হ্যাঁ মনে আছে। সেই যে মেয়েটা বাদামি ভাল্লুকদের স্যুপ খেয়ে চেয়ার ভেঙে যাচ্ছেতাই কান্ড করেছিল সেই গল্পটা তো?

-হ্যাঁ তবে আজ তোমাকে সাদা পোলার বেয়ারদের গল্প বলব। জান তো ভাল্লুকরা শুধু খাবার জোগার করে হাইবারনেশানেই যায় না। অনেক বেয়ার আর অনান্য প্রাণীরা শীতের সাথে মানিয়ে নিতে তাদের চেহারার পরিবর্তনও করে।  আমরা যেমন শীতের জ্যাকেট পরি, কিছু প্রাণীর পশম পশম লোম ঘন এবং ভারী হয়ে যায় মোটা উলেন কোটের মত। কেউ কেউ তাদের চারপাশের সাথে মিশে যাওয়ার জন্য গায়ের রঙ পরিবর্তনও করে। আর্কটিক ফক্স মানে শিয়ালের রঙ গ্রীষ্মকালে গাঢ় রঙ থেকে শীতকালে প্রায় সম্পূর্ণ সাদা হয়ে যায় । সাদা খরগোশ, সাদা লেজের হরিণ পাতাহীন গাছের সাথে মিশে যাওয়ার জন্য গাঢ় বাদামী রঙের হয়ে যায়।

মাম্মাম গল্প বলে চলে …

বিয়াস চোখ বড়োবড়ো করে মায়ের গল্প শুনতে-শুনতে ভাবে--- আজ যদিও অফিস ছুটি। স্কুলের তাড়া নেই। কিন্তু এই লকডাউনের ঘরবন্দি দিনগুলো তার ভালই লাগছে। যদিও অনলাইন স্কুল তেমন ভাল লাগে না। স্কুলের বন্ধুদের, টিচারদের বিয়াস খুব মিস করে। তবে এই করোনার দিন তাকে কত নতুন-নতুন বন্ধু দিয়েছে। বাড়ির ব্যাকইয়ার্ডে যে রোজ এত মজার-মজার কান্ড ঘটে, সেটা লকডাউন নাহলে জানতেই পারত না। তারপর আরও মজা। অফিস করলেও আজকাল সারাদিন বাবাই, মাম্মাম বাড়িতে থাকে । বিয়াসকে সারাদিন স্কুলের পর আফটার কেয়ারে কাটাতে হয় না।

সকালটা বাবাই ব্যস্ত থাকলেও মাম্মামের অফিস দেরিতে শুরু হয়। তাই ওর সাথে গল্প করতে-করতে মাম্মাম ব্রেকফাস্ট করে।

লাঞ্চ টাইম পেরিয়ে গেলেও মা এতটুকু রাগ করে না। কিচ্ছু বলে না। ওদের দুজনের মিটিং শেষ হলে তিনজন একসাথে লাঞ্চ করে। ডিনারটা সবসময় একসাথে করলেও সকালে অফিসের তাড়ায় আর টায়ার্ড থাকায় আগে ভালো করে গল্প হত না। এখন বাবাই কত মজার-মজার গল্প করে, বোর্ডগেম খেলে, কতদিন পর মাম্মাম আবার বেডটাইম স্টোরি শোনায়। আর ব্রেকফাস্ট টাইমটা সবচেয়ে মজার, নতুন বন্ধুদের সাথে খেতে খেতে ওদের গল্প শোনা। বিয়াস জানে--- মাম্মাময়ের গল্প অনেক কিছু শিখিয়ে দেয়। এই যে স্কুলে এখন মিস স্যু ফল সিজিন আর অ্যানিম্যালস লাইফ পড়াচ্ছে বিয়াস বই না পড়েও মায়ের কাছে গল্প শুনেই তার অনেক কিছু জেনে গেছে…

-কী রে চোখ বন্ধ করে কী করছিস?

-প্রে করছি, মাম্মাম।

-কী চাইলে তুমি ঠাকুরের কাছে?

-চাইলাম পৃথিবী থেকে করোনা চলে যাক কিন্তু লকডাউনটা থেকে যাক !

মাম্মাম ওর হুইলচেয়ারটা ঠেলতে-ঠেলতে মুচকি হেসে বলল--- চল মাস্ক লাগিয়ে আজকে আমরা ট্রেল ধরে একটু হেঁটে আসি। বলা যায় না জঙ্গলের ভেতর গোল্ডিলকস এর মত গ্রিজিলি বেয়ারের ডেন পেয়ে যেতেও পারি…

......................

লেখক পরিচিতি ▪️সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড ও মাইক্রোবায়োলজি নিয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনার শেষে কিছুদিন শিক্ষকতা করেছেন। তারপরেই প্রবাসে পাড়ি। গত পঁচিশ বছর যাবৎ ঠিকানা হল নিউ জার্সি। পেশায় মন্তেসরি শিক্ষিকা। ২০০৮ সালে প্রবাস জীবনের একাকীত্ব কাটাতে ছদ্মনামে ব্লগ লেখা শুরু। ২০১০ থেকে ইন্ডিয়া, উত্তরআমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডার বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও শারদীয়াতে নিজের নামে কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ প্রকাশিত হতে থাকে। কমিউনিটির বিভিন্ন ভলেন্টারি কাজের পাশাপাশি নাটক ও সঞ্চালনা করে সময় কাটাতে ভালবাসেন।

Mailing List