নিজের বন্দুক থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হলেন মল্লরাজ বংশের প্রবীণ সদস্য!

নিজের বন্দুক থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হলেন মল্লরাজ বংশের প্রবীণ সদস্য!
01 Aug 2020, 05:57 PM

নিজের বন্দুক থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হলেন মল্লরাজ বংশের প্রবীণ সদস্য!

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন, বিষ্ণুপুর: বাঁকুড়ার মল্লগড়ের রাজপরিবার। রাজত্ব নেই। তবু সলিল সিংহ ঠাকুরকে রাজা হিসাবেই চিনতেন সকলে। আজ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে নিজের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল তাঁর গুলিবিদ্ধ দেহ। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রাচীন মল্লগড় বিষ্ণুপুরে। শনিবার সাতসকালেই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে মল্লগড় বিষ্ণুপুর। আচমকা গুলির শব্দে উৎসুক মানুষ ভিড় জমান মল্ল রাজ দরবারে। এরপরই জানা যায়, মল্ল রাজপরিবারের বর্তমান রাজা সলিল সিংহ ঠাকুরের গুলিবিদ্ধ দেহ পড়ে রয়েছে বাড়ির ভিতর। আর দেহের পাশেই পড়ে রয়েছে তাঁর লাইসেন্সযুক্ত একনলা বন্দুক।

এরপরই খবর দেওয়া হয় বিষ্ণুপুর থানায়। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। পাশাপাশি, একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে। তবে পুলিশ জানিয়েছে লাইসেন্সপ্রাপ্ত পারিবারিক বন্দুক থেকেই গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন এই সত্তোরর্ধ্ব রাজ পরিবারের সদস্য। প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, মানসিক অবসাদেই এমন কান্ড করে থাকতে পারেন সলিলবাবু। শারীরিক অসুস্থতা নিয়েও তাঁর মানসিক যন্ত্রণা ছিল।

এদিকে, এই ঘটনার জেরে মল্লভূম বিষ্ণুপুর জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঠিক কি কারণে তিনি আত্মঘাতী হলেন, তার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ।

ঠিক কী ঘটেছিল এদিন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বন্দুকের আওয়াজে সাত সকালে কেঁপে ওঠে বিষ্ণুপুর। খবর ছড়িয়ে পড়ে, নিজের বন্দুক থেকে গুলি করে আত্মঘাতী হয়েছেন বিষ্ণুপুরের মল্লরাজ বংশের অন্যতম বর্ষীয়ান সদসস্য সলিল সিংহ ঠাকুর। শনিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ নিজের বাসভবনের বসার ঘরে বন্ধুক থেকে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। পরিবার সূত্রে খবর, গুলি গলায় লেগে মাথা, ভেদ করে বেরিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গেই মৃত্যু হয় সাবেক রাজঘরানার অন্যতম প্রবীণ এই সদস্যের।

 সেই রাজত্ব নেই। আর সেই অহরহ গুলি, গোলার আওয়াজও বিস্মৃত হয়ে গিয়েছিল প্রাচীন এই রাজ পরিবারে। এদিন আচমকা গুলির আওয়াজ শুনে বাড়ির পরিচারিকা ঘরে ঢুকেই দেখেন সলিল বাবুর  রক্তাক্ত দেহ। মেঝেতে রক্ত গড়িয়ে যাচ্ছে। তিনিই চিৎকার করে সুনীল বাবুর এই মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর দেন পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের। সলিল বাবুর নিথর দেহ দেখে হতবাক বিষ্ণুপুরের বাসিন্দারা। হইচই পড়ে যায় জেলাজুড়ে।

Mailing List