আরও ৭৭৩৮ পদে নতুন করে নিয়োগ, ২০১২, ২০১৪, ২০১৭ সালের টেট উত্তীর্ণ আবেদন করতে পারবেন, ঘোষণা পর্ষদ সভাপতির

আরও ৭৭৩৮ পদে নতুন করে নিয়োগ, ২০১২, ২০১৪, ২০১৭ সালের টেট উত্তীর্ণ আবেদন করতে পারবেন, ঘোষণা পর্ষদ সভাপতির
11 Nov 2022, 08:19 PM

আরও ৭৭৩৮ পদে নতুন করে নিয়োগ, ২০১২, ২০১৪, ২০১৭ সালের টেট উত্তীর্ণ আবেদন করতে পারবেন, ঘোষণা পর্ষদ সভাপতির

 

আনফোল্ড বাংলা প্রতিবেদন: ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণদের জন্যও শুক্রবার ফের সুখবর দিল পর্ষদ। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল ঘোষণা করেন ২০১৪ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ৩ হাজার ৯২৯ টি শূন্যপদে পদে নিয়োগ হবে প্রার্থীদের। তবে এই নিয়োগ হবে মেধাতালিকা অনুযায়ী। এমনই নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও সুপ্রতীম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ।

এই রায় নিয়ে পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল বলেন, ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ৩৯২৯ টি পদে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করতে হবে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল ১১,৭৬৫ শূন্যপদের জন্য। ৩৯২৯ পদে ২০১৪-র টেট প্রার্থীদেরই নিয়োগ করতে হবে। আদালতের এই নির্দেশেরপর পর্ষদ সভাপতি জানান, বাকি প্রায় সাড়ে সাত হাজার পদে নতুন করে নিয়োগ করা হবে। এই পদগুলির জন্য ২০১২, ২০১৪, ২০১৭ সালের টেট উত্তীর্ণরা সবাই আবেদন করতে পারবেন। একই সঙ্গে এদিন ওএমআর শিট বিতর্ক নিয়েও গৌতম পাল জানিয়ে দেন, পর্ষদ ওএমআর শিট পুড়িয়ে ফেলেনি, রিসাইকেল করা হয়েছে। তথ্য ওএমআর শিটের সব তথ্যই ডিজিটাইজড করা আছে। তাই ওই তথ্য নষ্ট করা হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠছে তা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন পর্ষদ সভাপতি।

এদিন পূর্ব ঘোষণা মতো ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণদের নম্বর প্রকাশ করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে ২০১৪ সালের ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৯৫২ টেট উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ করা হল। তবে কয়েকটি ক্ষেত্রে তা অসম্পূর্ণ বলেও অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ২০১৪ সালের টেট-এ ৮২ পেয়েছেন এ রকম সাত হাজারেরও বেশি সংরক্ষিত পরীক্ষার্থীর তালিকাও প্রকাশ করেছে পর্ষদ। শুক্রবার বিকাল ৪টা নাগাদ পর্ষদের তরফে এই দু’টি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে তালিকা হাতে আসার পর দেখা গিয়েছে, ১ লক্ষ ২৫ হাজার টেট উত্তীর্ণদের যে তালিকা পর্ষদ প্রকাশ করেছে তাতে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর নাম এবং নম্বর দেওয়া থাকলেও বেশ কয়েকটি নামের জায়গায় রোল নম্বর থাকলে নাম নেই। নামের জায়গা ফাঁকা রয়েছে। এই প্রসঙ্গে পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল জানান, পর্ষদের হাতে এখনও সব তথ্য আসেনি। কিছু তথ্য না থাকার কারণেই এই অসম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সব তথ্য হাতে আসার পর সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তালিকা প্রকাশের পর শিক্ষা পর্ষদের বর্তমান সভাপতি এ-ও জানান যে, আদালতের নির্দেশ এবং শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর পরামর্শ মেনে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

Mailing List